জার্মানি দল থেকে ওজিলের অবসর নেয়ার ব্যাপারটি নিয়ে কম জল ঘোলা হয়নি বিশ্ব ফুটবলে। এ নিয়ে পক্ষ-বিপক্ষে মত দিয়েছেন অনেকেই। কারণ অবসর নেয়ার জন্য জার্মানি ফুটবল ফেডারেশনের (ডিএফবি) প্রধান রাইনহার্ড গ্রিন্ডেলের বিরুদ্ধে বর্ণবাদী আচরণের অভিযোগ এনেছিলেন তুর্কি বংশোদ্ভূত জার্মান মিডফিল্ডার।
কিন্তু জার্মানির গোলকিপার ও অধিনায়ক ম্যানুয়েল নুয়্যার মনে করেন, ডিএফবিতে বর্ণবাদের শিকার হওয়ার কথা অবিশ্বাসযোগ্য। আর আজ তো জার্মান কিংবদন্তি ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার পরোক্ষভাবে প্রশ্ন তুললের ওজিলের ফ্রান্স প্রেম নিয়ে।
বেকেনবাওয়ার চলমান বিতর্কে কিছু কিছু খেলোয়াড়ের দেশপ্রেম নিয়েও মন্তব্য করেন বেকেবাওয়ার। বলেছেন, ‘বাইরে থেকে দেখে যতটা মনে হয়েছে, চার বছর আগের বিশ্বকাপজয়ী দলটার মধ্যে যে তীব্র আবেগ ছিল, সেটা এখন আর নাই।’
ওজিল খেলা শুরুর আগে জাতীয় সংগীতে কণ্ঠ মেলান না, এমন একটা অভিযোগ অনেক দিন ধরেই আছে। সরাসরি ওজিলের নাম না বলে বেকেনবাওয়ার মন্তব্য করেছেন, ‘জাতীয় সংগীত গাওয়াও দলের প্রতি আবেগ তৈরিতে, ভালো খেলতে সাহায্য করে। যারা জাতীয় সংগীত গায়, তারা তাদের চেয়ে অনেক ভালো খেলে, যারা ওই সময় চুইংগাম চিপায়।’
প্রসঙ্গত, জার্মানির গায়ে জড়িয়ে ৯ বছর ধরে খেলা ওজিল ৯২ ম্যাচে গোল পেয়েছেন ২৩টি। ২০১৪ বিশ্বকাপ জয়ে বড় ভূমিকা ছিল ওজিলের। এবারো জার্মানি সবচেয়ে ফেভারিট দলগুলোর একটি ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তারাই প্রথম রাউন্ড থেকে বিদায় নেয়। আর তখনই সমালোচনার মুখে পড়েন ওজিল।
