অন্যতম বাঙালি সাহিত্যিক সৈয়দ মুজতবা আলী। এ লেখকের ‘বেঁচে থাকো সর্দিকাশি’ গল্প থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে সাজ্জাদ সুমন নির্মাণ করেছেন একক নাটক ‘বৃষ্টি ভেজার দিন’। নাটকটির প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করেছেন আফরান নিশো ও ফারহানা মিলি। এ তথ্য জানিয়েছেন পরিচালক সুমন।
সৈয়দ মুজতবা আলীর গল্প বেছে নেয়া প্রসঙ্গে সাজ্জাদ সুমন বলেন, ‘‘এবার এনটিভির জন্য সাহিত্যনির্ভর সাতটি নাটক নির্মিত হচ্ছে। তারই একটি ‘বৃষ্টি ভেজার দিন’। সাহিত্যনির্ভর অনেক কাজই আমি করেছি কিন্তু সৈয়দ মুজতবা আলীর গল্প নিয়ে কোনো কাজ করা হয়নি। সৈয়দ মুজতবা আলী আমার প্রিয় একজন গল্পকার, প্রিয় লেখক। তার লেখা গল্প থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে এই নাটকটি নির্মাণ করেছি। এবারই প্রথম তার গল্প নিয়ে কাজ করলাম।’’
শুটিংয়ের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সব মিলিয়ে নাটকের কাজটি খুব ভালো হয়েছে। অনেক যত্নসহকারে কাজটি করার চেষ্টা করেছি। গল্পটি মোটামুটি নিশোকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে। নিশো খুব ভালো পারফরম্যান্স করেছে। ভিন্ন ঘরানার একটি প্রেমের গল্প এটি। আর সে বিষয়টিও ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি।’
‘শিক্ষিত-সুদর্শন যুবক আফরান নিশো। কিন্তু তার একটাই সমস্যা- সারা বছর সর্দি-কাশি লেগেই থাকে। শীত-বর্ষাতে তো থাকেই, প্রচণ্ড গরমেও ঠান্ডা লাগে তার। আর এ কারণে কোনো মেয়ে তাকে পছন্দ করে না। এর মধ্যেই ফারহানা মিলির প্রেমে পড়ে নিশো। কিন্তু মিলির মাইগ্রেনের সমস্যা আছে। মিলি চান তার স্বামীরও এমন রোগ থাকুক। তাহলে সে বিরক্ত হবে না। বিষয়টি জানতে পেরে নিশো সর্দি-কাশির সঙ্গে মাইগ্রেনের রোগী হয়ে যায়। এভাবে নিশো তার স্ত্রী মিলির সঙ্গে দীর্ঘ পাঁচ বছর অভিনয় করেন।’ নাটকের গল্প প্রসঙ্গে বলেন নির্মাতা সাজ্জাদ সুমন।
সম্প্রতি নাটকটির দৃশ্যধারণের কাজ শেষ হয়েছে। নিশো-মিলি ছাড়াও নাটকে অভিনয় করেছেন মিলি বাশার, নিলুক কুমার প্রমুখ। ঈদুল আজহায় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেল এনটিভিতে নাটকটি প্রচারিত হবে।
