নানান ঝুট ঝামেলা ও কাট-খড় পুড়িয়ে মুক্তি পাচ্ছে অনিল কাপুর-ঐশ্বরিয়া রায় ও রাজকুমার রাওয়ের ‘ফ্যানি খান’। প্রথমে ছবিটির প্রযোজক ছিল প্রেরণা অরোরার ক্রিয়ার্জ এন্টারটেনমেন্ট। বাসু ভাগনানির দাবি, ক্রিয়ার্জের সঙ্গেই তিনি ১০ কোটি টাকার মাল্টি-প্রজেক্ট ডিস্ট্রিবিউশন ডিল করেছিলেন।
কিন্তু মাঝপথেই ছবি ছেড়ে বেরিয়ে যায় ক্রিয়ার্জ। এরপর প্রযোজনার দায়িত্বে আসেন অনিল কাপুর নিজে। সঙ্গে রয়েছে ভূষণ কুমার, রাকেশ ওমপ্রকাশ মেহরার মতো নামও। শুটিং নির্বিঘ্নেই শেষ হয়। কিন্তু ছবির মুক্তিতে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন বাসু ভাগনানি।
প্রথমে মুম্বাইয়ের হাই কোর্ট, পরে দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন বলিউডের এই প্রযোজক। কিন্তু তাতে কোনও লাভ হয়নি। ছবির বিষয়ে নাক গলাতে নিষেধ করে দেন দিল্লি হাই কোর্টের বিচারপতি। এরপরই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হন বাসু। কিন্তু বুধবার সেখানেও আশাহত হতে হয় তাকে। নামঞ্জুর হয়ে যায় তার আবেদন। এ কারণেই ছবির মুক্তিতে আর কোনও বাধাই রইল না।
ছবির ডিস্ট্রিবিউশনের অধিকার কেবল তার। এই দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে মামলার অনুমতি চেয়েছিলেন বাসু। মুক্তির ঠিক আগেই সে দাবি নামঞ্জুর করে দিল দেশের সর্বোচ্চ আদালত। ছবির মুক্তির উপর যে নিষেধাজ্ঞা জারির আশঙ্কা করা হয়েছিল। শীর্ষ আদালতের এ সিদ্ধান্তে মুক্তির আগেই মুক্ত হল পরিচালক অতুল মঞ্জুরেকরের ছবি। ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রেই এসব তথ্য জানা গেছে।
এর মধ্যেই ছবির ‘আচ্ছে দিন’ গানটি নিয়ে আপত্তি ওঠেছিল। কিছুদিন আগেই মুক্তি পেয়েছিল গানটি। যাতে প্রশ্ন করা হয়েছিল ‘আচ্ছে দিন কব আয়েঙ্গে’। অনেকেই এই গান কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিরোধিতার হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে থাকেন। শোনা গেছে, এতেই অসন্তুষ্ট হয়ে ছবির গানের কথা পাল্টে দিয়েছেন ছবির নির্মাতারা। ‘আচ্ছে দিন আব আয়ে রে’ হিসেবে নতুন ভার্সানটি ইতিমধ্যেই প্রকাশ্যে এসেছে।
