অভিনেতা নেইমারে ‘সাবধান’ নবাগত কোচ!

যদি প্রশ্ন করা হয় এই মুহুর্তে পিএসজির বড় তারকা কে? উত্তরে খেলোয়াড়দের অভিজ্ঞতা, ক্যারিয়ারের উথান-পতনের পরিসংখ্যান সাজিয়ে ছোট্ট লিস্টে জায়গা দিবেন নেইমার, কাভানি, ডি মারিয়া ও এমবাপ্পেকে। মূলত একটি ম্যাচে ব্যবধান সৃষ্টিতে এদের একজনই যথেষ্ট।

সাধারণত একজন সিনিয়র তারকা একটি ক্লাবের জন্য আদর্শ। তার থেকে শিক্ষা নেয় জুনিয়ররা। তার চলা-ফেরা, আচরণসহ সার্বিক বিষয়াদি প্রভাব ফেলে ড্রেসিংরুমে। কিন্তু সে হিসেবে কিছুটা হলেও ভিন্ন নেইমার। এবারের বিশ্বকাপে বেশ বিতর্ক হয়েছে তাকে নিয়ে। খেলার মধ্যে ফাউলের শিকার যেমন হয়েছেন, ঠিক তেমনি পড়ে যাওয়ার ভান করে সমালোচিতও হয়েছেন।

মজার ব্যাপার হলো, রাশিয়া বিশ্বকাপে ব্রাজিলের ৫টি ম্যাচে মোট ১৪ মিনিট মাটিতে গড়াগড়ি খাওয়ার একটা পরিসংখ্যান নিয়েও তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে ফুটবল দুনিয়ায়। যা নিয়ে রীতিমত ট্রল হয় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। নেইমারের এমন আচরণে বিশ্বকাপ চলাকালীনই ক্ষুব্ধ হতে দেখা যায় অধিনায়ক সিলভাকে। তিনি বলেছিলেন, নেইমারের এমন অহেতুক পড়ে যাওয়ার ব্যাপারটি টিমের ওপর প্রভাব ফেলে। একজন সিনিয়রের পক্ষে যা মোটেও কাম্য নয়।
নেইমারের অহেতুক গড়াগড়ি!

সিলভা মুখ ফসকে সতীর্থকে নিয়ে কথা বললেও এ ব্যাপারে বেশ সাবধানী পিএসজির নবাগত কোচ টমাস টুখেল। সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আমার বয়স (৪৪ বছর) খুব একটা বেশি না। আর আমি যখন নেইমারের সঙ্গে কথা বলব, তখন আমাকে সতর্ক থাকতে হবে, আমার প্রতিটি শব্দ প্রভাব ফেলবে। সুতরাং এসব কথা বন্ধ দরজার উল্টো দিকে হওয়াই ভালো।’

এসময় উনাই এমেরির সময় নেইমারের সঙ্গে এডিনসন কাভানির দ্বন্দ্বের বিষয়টি নিয়েও কথা বলেন তিনি। ‘আমি জানি, নেইমারের সঙ্গে আমার সম্পর্ক সৃষ্টি হবে এবং এমন খেলোয়াড়ের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক রাখতে হয়—এ ব্যাপারেও আমি নিশ্চিত। সে অবিশ্বাস্য এক খেলোয়াড়। সে জানে কীভাবে জয় সামাল দিতে হয়, আবার দল হেরে গেলে কী করতে হয়, সেটাও জানে। এটাই খেলার দুনিয়ার সত্য। খারাপ সময় থেকে ফিরে আসাটা সব সময়ই চ্যালেঞ্জের। আমি নেইমারকে সে ব্যাপারে সাহায্য করব।’ যোগ করেন তিনি।