কদিন আগে ফরাসি অধিনায়ক হুগো লরি জানিয়েছিলেন, আর্জেন্টিনাকে হারিয়েই বিশ্বকাপ জয়ের আত্মবিশ্বাস পায় তাঁর দল। সেই আর্জেন্টিনার জার্সিতে এবার দেখা মিলল ফ্রান্সের বিশ্বকাপ জয়ের অন্যতম নায়ক পল পগবাকে। বিশ্বকাপ শেষে এখনো বিশ্রামে এই মিডফিল্ডার। লস অ্যাঞ্জেলেসে বন্ধুদের সঙ্গে ঘোরার সময় তাঁর গায়ে আর্জেন্টিনার ২১ নম্বর জার্সি। এই নম্বরের জার্সি পরে খেলেন পাউলো দিবালা। আর দিবালার সঙ্গে জুভেন্টাসে একটা সময় খেলতেন পগবা। পুরনো সেই সতীর্থটিকে ভোলেননি জুভেন্টাস থেকে সেই সময়ের রেকর্ড ট্রান্সফার ফিতে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডে নাম লেখানো পগবা।
বিশ্বকাপের পর রিয়াল মাদ্রিদ ছেড়ে জুভেন্টাসে ক্রিস্তিয়ানো রোনালদো। ইতালিয়ান মিডিয়ায় এর পর থেকে গুঞ্জন পগবা নাকি চ্যাম্পিয়নস লিগ জয়ের স্বপ্নে ফিরতে চান জুভেন্টাসে! রোনালদোর পাশে থেকে গড়তে চান নতুন ইতিহাস। জুভেন্টাসের দিবালার জার্সি পরে সেই গুজব কি নতুন করে উস্কে দিলেন পগবা? ডেইলি মেইল অবশ্য দুইয়ে দুইয়ে চার মেলাচ্ছে না। তারা লিখেছে, ‘বন্ধুদের সঙ্গে সব সময় সময় কাটাতে আর যোগাযোগ রাখতে পছন্দ করেন পগবা। এ জন্য লস অ্যাঞ্জেলেসে ম্যানইউ সতীর্থ আর বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে প্রতিপক্ষ বেলজিয়ামের তারকা ফেলাইনির সঙ্গে ছুটি কাটিয়েছেন পগবা। দিবালার কথা মনে করেই পরেছেন এই জার্সি।’
পগবা ম্যানইউ না ছাড়লেও তাঁর আর্জেন্টাইন সতীর্থ মার্কাস রোহোর ওল্ড ট্র্যাফোর্ড ছাড়া নিশ্চিত অনেকটা। বিশ্বকাপ মাতানো লিস্টার সিটির ডিফেন্ডার হ্যারি ম্যাগুয়েরকে পেতে মরিয়া ম্যানইউ। তাঁর জন্য ৬৫ মিলিয়ন পাউন্ডের প্রস্তাবও পাঠিয়েছে রেড ডেভিলরা। এ জন্যই রোহোর প্রয়োজন ফুরিয়েছে। প্রিমিয়ারে নতুন উঠে আসা উলভারহ্যাম্পটন এই আর্জেন্টাইনের জন্য প্রস্তাব করেছে ২৫ মিলিয়ন পাউন্ড। পর্তুগালের রুই প্যাত্রিসিও আর হোয়াও মুতিনহোকে কিনে শক্তি বাড়িয়েছে নবাগত এই দল। মেক্সিকোর ফরোয়ার্ড রাউল জিমিনেসও এসেছেন ধারে। রোহো যোগ দিলে শক্তিশালী দল হয়েই লড়াই করবে উলভারহ্যাম্পটন।
রোহোর মতো ম্যানইউ ছেড়ে দিতে পারে অ্যান্থনি মার্শিয়ালকেও। তিন বছর আগে এই ফরাসি ম্যানইউতে যোগ দেওয়ার পর বলা হচ্ছিল ‘নতুন অঁরি’। কিন্তু গত মৌসুমে সেরা একাদশে জায়গা হারান মার্শিয়াল। ফরাসি কোচ দিদিয়ের দেশমও রাখেননি বিশ্বকাপ দলে। মাঠে কম খেললেও পরিসংখ্যান বলছে গত মৌসুমে সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে প্রতি গোল কিংবা অ্যাসিস্টে মার্শিয়াল সময় নিয়েছেন ১১৭ মিনিট। ম্যানইউর অ্যালেক্সিস সানচেসের বেলায় সেটা ১৯২ মিনিট আর মার্কাস রাশফোর্ডের বেলায় ১২৮ মিনিট। শুধু ১১৩ মিনিট সময় নিয়ে মার্শিয়ালের চেয়ে এগিয়ে রোমেলু লুকাকু। এ জন্যই মার্শিয়ালকে ছেড়ে দেওয়াটা পল পগবাকে ছাড়ার মতো ভুল হতে পারে বলে ইংলিশ সংবাদমাধ্যম সতর্ক করেছেন হোসে মরিনহোকে। ডেইলি মেইল
