সবক্ষেত্রেই স্বজনপ্রীতি আছে। এমন কোনো সেক্টর বাদ নেই যেখানে স্বজনপ্রীতি নেই। কিন্তু সেটা যদি নির্দিষ্ট সীমাকেও ছাড়িয়ে যায় তখন কী আর মুখ বুঝে বসে থাকা যায়। বেশ কয়েকদিন ধরেই স্বজনপ্রীতি নিয়ে সরগরম অবস্থা বলিউডে। স্বজনপ্রীতির অভিযোগের তীরে বিদ্ধ হচ্ছে এ ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি। এ অভিযোগ থেকে বাদ যাচ্ছেন না বলিউডের নামি-দামি তারকারাও।
সম্প্রতি বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আলিয়া ভাটের বিরুদ্ধেও উঠেছে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ। আলিয়া ভাট জনপ্রিয় নির্মাতা মহেশ ভাটের মেয়ে। আর তাই তো স্বজনপ্রীতি প্রসঙ্গে চলে আসে তার নামও। সম্প্রতি এমন অভিযোগ শুনে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে নিজের ঠাণ্ডা প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এ অভিনেত্রী।
আলিয়া ভাট বলেন, ‘আমি মনে করি, ইন্ডাস্ট্রিতে স্বজনপ্রীতির অস্তিত্ব রয়েছে, তাই বলে এটিকে সমর্থন করার কিছু নেই। বিষয়টি নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে কারণ যারা সুযোগ পাচ্ছেন না তাদের জন্য এটি মেনে নেয়া কঠিন। আমি যদি তাদের অবস্থানে থাকতাম আমারও খারাপ লাগত। স্বজনপ্রীতি সব জায়গাতেই রয়েছে। কিন্তু সিনেমা ব্যবসায় নির্দিষ্ট কোনো বিষয়ের প্রয়োজন নেই। আপনাকে শুধু সঠিক সময়, সঠিক স্থানে থাকতে হবে।
আলিয়া আরো বলেন, আপনি যদি চিকিৎসক হতে চান আপনাকে লেখাপড়া করে পরীক্ষা দিতে হবে, ভাইভা দিতে হবে এবং তারপর চাকরি পাবেন। তবে সিনেমা ব্যবসায়, আপনি যখন ইচ্ছে শুরু করতে পারেন। অনেকেই রয়েছেন যারা সাধারণ অবস্থান থেকে অভিনয় দিয়ে শক্ত অবস্থান গড়েছেন।
উঠতি এ তারকা আরো বলেন, ‘একজন ব্যক্তি কিছুটা কম সুদর্শন হতে পারেন কিন্তু নিজের কর্ম ও গুণে বড় তারকা হতে পারেন। দ্রুত তারকা হওয়ার কোনো নিয়ম নেই। আমি কখনই বলব না যে আমি নিজেকে খুব বেশি প্রস্তুত করেছিলাম কিংবা আমি একজন নামি ব্যক্তির মেয়ে। তবে আমি সৌভাগ্যবান যে, আমার প্রথম সুযোগ কাজে লেগেছে এবং আপনি শুধু প্রথমবারই সেই সুযোগটি পাবেন। তারপর একমাত্র সৃষ্টিকর্তা আপনাকে বাঁচাতে পারবেন।’
উল্লেখ্য, বর্তমানে নিজের পরবর্তী সিনেমা ব্রহ্মাস্ত্র নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন আলিয়া। এতে তার বিপরীতে অভিনয় করছেন রণবীর কাপুর। এ ছবিতে একসঙ্গে কাজ করতে গিয়েই প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন তারা।
