পহেলা আগস্ট শুরু হতে যাচ্ছে ভারত বনাম ইংল্যান্ডের মধ্যকার পাঁচ ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচ। ব্যাট-বলের লড়াই শুরু হওয়ার আগেই কথার লড়াই তুঙ্গে।ভারত অধিনায়কের দিকে আঙুল তুলে বলে দিলেন, ‘কোহালি তো মিথ্যে কথা বলছে!’ কী এমন কথা বলেছেন কোহালি, যে জন্য এই মন্তব্য করলেন অ্যান্ডারসন?
পিটিআই’কে দেওয়া এক একান্ত সাক্ষাৎকারে কোহলি বলেন যে তিনি রান করলেন কি করলেন না, সেটা তার কাছে বড় ব্যাপার নয়। দল জিতল কিনা সেটাই তার কাছে বড় ব্যাপার। বিরাটের এই মন্তব্য প্রসঙ্গে ইংলিশ পেসার জেমস অ্যান্ডারসন সরাসরি আক্রমণ করে বসেন তাকে। পিটিআই’কে দেওয়া ওই সাক্ষাৎকার প্রসঙ্গে অ্যান্ডারসন বলেন, বিরাট যদি ওই কথা বলে থাকেন, তাহলে তিনি মিথ্যে কথা বলছেন। ব্যক্তিগত পারফর্ম্যান্স তার কাছে কোনও গুরুত্ব রাখে না সেটা সম্পূর্ণ ভুল কথা।’
অ্যান্ডারসন আরও বলেন,‘ ভারতকে এখানে জিততে হলে, বিরাটের রান করাটা অবশ্যই জরুরি। বিরাট ওর দলের জন্য রান করতেই চাইবে। কারণ, অধিনায়কের থেকে এটাই প্রত্যাশা করা হয়। আর তা ছাড়া ও বিশ্বের সেরা খেলোয়াড়দের মধ্যে অন্যতম।’
৩৫ বছরের অ্যান্ডারসনের আবার কোহলির বিরুদ্ধে ট্র্যাক রেকর্ডও দারুণ। ২০১৪ সালে ছয় ইনিংসের মধ্যে চারবার কোহলিকে আউট করেছিলেন এই ইংলিশ পেসার। ২০১২ সালেও একবার তাকে আউট করেছিলেন ইংলিশ পেসার।
সর্বশেষ ইংল্যান্ড সফরে কোহলি ব্যর্থ হলেও এবার ভালো কিছুরই ইঙ্গিত দিচ্ছে। সীমিত ওভারের ক্রিকেটে দুর্দান্ত ফর্মে ছিলেন এই তারকা।
বিরাট সমন্ধে অ্যান্ডারসন আরও বলেন,‘বিরাটের মতো খেলোয়াড়রা বলে দেরিতে শট নেয়, ফলে জোরে বোলারকেও বোলারকে অনেকটা ধীর গতির লাগে এতে। কিন্তু, কোনও ক্রিকেটার যখন আক্রমণাত্মক ক্রিকেট খেলে, তখন লাল বলের চেয়ে সাদা বলে বেশি সুযোগ তৈরি হয় আউট করার। তাই বলা খুব মুশকিল।
‘আজকালকার যুগে লোকে শুধুমাত্র ফুটেজ দেখেই ভুলত্রুটি শুধরে নেয় না, অতীত অভিজ্ঞতা থেকেও শিক্ষা নেয়। তো, আমি সেই কারণে প্রত্যাশা করছি. কোহলি যে মাপের ক্রিকেটার তাতে ও গত সিরিজ থেকে নিশ্চয় শিক্ষা নিয়ে ফেলেছে।’
‘আমার মনে হয়, ও ভালোই অনুশীলন করে এসেছে ওর খেলাকে সেভাবে তুলে ধরার জন্য। লড়াইটা শুধু ওর আর আমার মধ্যে হবে না, আমাদের বাকি বোলারদের বিরুদ্ধেও ওকে লড়তে হবে। দারুণ জমবে কিন্তু।’
এবি ডি ভিলায়ার্স, স্টিভ স্মিথ, কেন উইলিয়ামসন, বিরাট কোহলির মধ্যে কাকে সেরা বলতে চাইবেন?
জবাবে অ্যান্ডারসন বলেন,‘ সত্যি বলতে কি এদের কারো বিরুদ্ধে বল করতে আমার ভালো লাগে না।ওদের মধ্যে সেরা বেছে নেওয়াটা মুশকিল। কারণ, সকলেই যে যার মতো ঘরানার মতো ব্যাটম্যান। সবারই কোয়ালিটি আছে। ওরা তিন ধরণের ক্রিকেটেই মানিয়ে নিতে পারে। সেজন্যই ওরা সফল। যে ক্রিকেটারটা ২০ বলে ৫০ রান করছে টি-২০ ক্রিকেটে, সেই আবার টেস্টে ২৫০ বলে ১০০ রান করছে। স্পেশাল ব্যাটসম্যানদের মানসিকতাও স্পেশাল হয়।’
