৯০ বছর বয়সেও রাজ্জাক মিয়ার ভাগ্যে জোটেনি বয়স্ক ভাতার কার্ড

৯০ বছর বয়সেও জীবিকানির্বাহের সংগ্রাম থামেনি মুরাদনগরের আব্দুর রাজ্জাকের, ভাগ্যে জোটেনি বয়স্ক ভাতার কার্ড। প্রতিদিন এক মাইল পথ পাড়ি দিয়ে উপজেলার কোম্পানীগঞ্জ পল্লী বিদ্যুত্ জোনাল অফিসের সামনে সবজি নিয়ে বসেন। আব্দুর রাজ্জাক উপজেলার গুনজর দক্ষিণপাড়া গ্রামের মৃত কফিলউদ্দিনের ছেলে।

সংসার জীবনে পাঁচ সন্তানের জনক আব্দুর রাজ্জাক জানান, ছেলে-মেয়েরা কেউই তার কোনো খোঁজ-খবর না রাখায় প্রতিবন্ধী মেয়ে ও স্ত্রীকে নিয়ে অনেক কষ্টে দিন কাটাচ্ছেন তিনি। অভাবের সঙ্গে লড়াই করা এখনো শেষ হয়নি। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, বয়স্ক ভাতার কথা শুনলেও তা তার ভাগ্যে জোটেনি। আর কত বছর হলে বয়স্ক ভাতা পাবেন তাও জানা নেই তার। এক সময় তিনি অনেক কাজ করতেন বলে জানিয়েছেন। কিন্তু বয়স ও শারীরিক অসুস্থতার কারণে এখন কাজ করতে পারেন না। সে কারণে কোনো বেলায় খাবার জোটে আবার কোনো বেলায় কাটে অনাহারে।

উপজেলার নবীপুর পূর্ব ইউপি চেয়ারম্যান আবুল খায়ের বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। সে কখনও আমার কাছে আসেনি। তবে আগামীতে তার জন্য একটি কার্ডের ব্যবস্থা করা হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মিতু মরিয়ম জানান, কার্ড প্রাপ্তির বিষয়টি দ্রুত নিশ্চিত করার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।