ইসলামপুরের গুঠাইলে অবৈধভাবে বালু উত্তোল

যমুনা নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে নদীর তীরবর্তী অঞ্চলের দরিদ্র জনগোষ্ঠিকে রক্ষাকল্পে সরকার প্রায় ৬০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণাধীন যমুনার বাম তীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে। যমুনা তীর সংরক্ষণ প্রকল্প বাস্তবায়নের ফলে যমুনা নদী তীরবর্তী অঞ্চলের মানুষের প্রায় অর্ধশতাধিক বছরের কান্নার অবসান হয়েছে। হাসি ফুটেছে নদী ভাঙ্গনে ঘরবাড়ি,ফসলী জমি হারানো মানুষগুলোর মূখে।
ইসলামপুরের যমুনা পাড়ের মানুষগুলোর মধ্যে আবারও শুর হয়েছে সব হারানোর ভয়। বৃহত্তর জনগোষ্ঠির সার্থকে জলাঞ্জলি দিয়ে গুটি কয়েক প্রভাবশালী ব্যক্তি প্রতিনিয়ত প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙগুলী দেখিয়ে এই প্রকল্প এলাকা থেকে অবাধে বালি উত্তোলন করে বিক্রি করছে। এতে প্রকল্পটি আগামী দিনে হুমকির মুখে পড়তে পারে।
চিনাডুলী ইউনিয়নের সাবেক ইউপি সদস্য শাহজাহান কবীর নিদেনু ও মস্তফা বালু দস্যুচক্র,যমুনা নদীর বিভিন্ন পয়েন্ট থেকে শ্যালো ইঞ্জিন চালিত ড্রেজার নৌকা,বলগেট মেশিনে করে বালু এনে যমুনার গুঠাইল হার্ড পয়েন্ট ও গুঠাইল বাজারের পাশে জমা করে বিক্রি করে আসছে। রাস্তায় চলাচল কারি মানুষদের অভিযোগ,গুঠাইল বাজারে ঢুকার পথে সরকারি রাস্তায় পাইপ বসিয়ে উঁচু বিট দিয়ে চলা চলের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে বালু দস্যুরা দীর্ঘ দিন ধরে যমুনা থেকে বালু উত্তোলন করছে।
বালু দস্যুচক্র শাহজাহান কবীর নিদেনু ও মস্তফার সাথে কথা বললে তারা জানান প্রশাসন থেকে শুরুকরে সবমহল মিলকরে বালু উত্তোলন করে বিক্রি করছি।
এব্যাপারে এলাকাবাসীর সচেতন মহলের অভিযোগ স্থানীয় প্রশাসনের রহস্যজনক ভুমিকার কারণে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ হচ্ছে না। জররী ভিত্তিতে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ ও বালু উত্তোলনকারীদের বিরদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবী জানিয়েছেন প্রশাসনের নিকট।
জামালপুর জেলা পরিষদের সদস ওয়ারেছ আলীর জানান আমি বালু উত্তোলন ও বিক্রি কারিদের বারবার বাধা দেওয়ার পরও তারা আমার কথা মানছেনা।
ইসলামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মিজানুর রহমান জানান,অবৈধ বালু উত্তোলনকারী ও বিক্রির বিরোদ্ধে খুব শিগ্রই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবেন ।