পাকিস্তানের ৬০ জনেরও বেশি রাজনীতিক তাঁদের দ্বিতীয় স্ত্রীর কথা এত দিন গোপন রেখেছিলেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছে বড় বড় নেতাদের নামও। আসন্ন সাধারণ নির্বাচনের মনোনয়নপত্রে তাঁদের উপস্থিতির কথা স্বীকার করে নিয়েছেন রাজনীতিকরা।
দুনিয়া নিউজের দেওয়া তথ্যে দাবি করা হয়েছে, এই তালিকায় রয়েছে পাঞ্জাবের সাবেক মুখ্যমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ ও তাঁর ছেলে হামজা শেহবাজ, জাতীয় পরিষদে সাবেক বিরোধী দলের নেতা খুরশিদ শাহ, মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট পাকিস্তানের (এমকিউএম-পি) নেতা ফারুক ফারুত সাত্তার ও সাবেক রেলমন্ত্রী খাজা সাদ রফিকের নাম। এ ছাড়া আরশাদ ভোরা, পীর আমিন, কাইজার মেহমুদ ও রানা মুবেশরের নামও উল্লেখযোগ্য।
ভোটারদের কাছে নিজেদের স্বচ্ছতা প্রমাণের জন্য ব্যক্তিগত জীবনের যাবতীয় তথ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে তুলে দিতে হয় রাজনীতিকদের। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের রিপোর্ট বলছে, পাকিস্তান মুসলিম লিগ- নওয়াজের (পিএমএল-এন) নেতা তথা সাবেক রেলমন্ত্রী খাজা সাদ রফিকই প্রথম রাজনীতিক যাঁকে নিয়ে এ বিষয়ে বিতর্ক শুরু হয়। তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রীর উপস্থিতির কথা তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে স্বীকার করার পরই সোশ্যাল মিডিয়ায় এই নিয়ে আলোড়ন শুরু হয়।
