আফগানিস্তান ক্রিকেটের প্রাণ ভোমরা রশিদ খান। কিন্তু বর্তমানে রশিদ খানের ক্যারিয়ারটা যেভাবে রকেটের গতিতে এগোচ্ছে তার শৈশবেটা এমন ছিল না। যুদ্ধের ভয়াবহতা এড়াতে শৈশব কাটাতে হয়েছে পাকিস্তানের শরণার্থী শিবিরে। আর সেই রশিদ খানই আজকের ক্রিকেটের সেরা বিজ্ঞাপন!
জেনে নেয়া যাক, আফগান সুপারস্টার রশিদ খান সম্পর্কে অজানা ১১ তথ্য:
১-রশিদ খান আফগানিস্তানের নানগারহার প্রদেশের জালাবাদে জন্ম গ্রহণ করে।
২- আফগানিস্তানের চলাকালীন যুদ্ধের ভয়াবহতার এড়ানোর জন্য পাকিস্তান শিবিরে আশ্রয় নেয় তার পরিবার।
৩- রশিদ খানের পুরো নাম রশিদ খান আরমান
৪- পাকিস্তান শরণার্থী থেকে ফিরে আসার পর প্রথমবারের মতো টিভিতে পাকিস্তানের খেলা দেখেছিলেন তিনি।
৫- রশিদ খানের তার আইডল মনে করে পাকিস্তানের সুপারস্টার ক্রিকেটার শহীদ খান আফ্রিদি। তার এই কিংবদন্তির চুলের স্টাইল ও উদযাপন বেশ পছন্দ হয় তরুণ রশিদের।
৬-টেপ টেনিস বল দিয়েই ক্যারিয়ার শুরু হয় রশিদ খানের। প্রাথমিক পর্যায়ে বাড়ির উঠানে টেপ টেনিস বলে অনুশীলন করতেন।পরে পাড়ার বড় ভাইদের সঙ্গে খেলতে যেতেন।
৭-মাত্র ১৭ বছর বয়সী আফগানিস্তানের জার্সিতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হয় রশিদের।
৮- রশিদ খানের বল খুব বেশি র্টান না থাকলেও নিখুঁত গুগলিতে প্রতিপক্ষকে কাবু করেন তিনি।
৯ তাকে সবাই লেগ স্পিনার বললেও রশিদের ভাষ্য তিনি আঙ্গুলের সাহায্যে কারিশমা দেখান।
১০-আইপিএল-বিপিএল-বিগ ব্যাশ-কাউন্টি ও সিপিএলে খেলার অভিজ্ঞতা হয়েছে রশিদ খানের।
১১-কিংবদন্তি সাকলাইন মুশতাককে পেছনে ফেলে কনিষ্টতম বোলার হিসেবে হয়েছেন আইসিসি শীর্ষ বোলার। এছাড়া মিচেল স্টার্ককে ছাপিয়ে হয়েছেন ওয়ানডের দ্রুততম শত উইকেট শিকারী।
১১-আন্তর্জাতিক ওয়ানডেতে ১০০ এবং টি-২০ ক্রিকেটে ৫৬ উইকেট লাভ করেছেন রশিদ।
তাই বলা যেতেই পারে রশিদ খান যেভাবে রেকর্ড গড়ছে একদিন না একদিন তিনি নিজেই নিজের রেকর্ড ভেঙ্গে ফেলবে।
