য়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে টাইগারদের সর্বশেষ টেস্টে জয় ছিল ২০০৯ সালে। দীর্ঘ ৯ বছর পর আবারো ওয়েস্ট ইন্ডিজকে পরাজিত করল টাইগাররা। এছাড়া দেশের মাটিতে প্রথম বারের মতো উইন্ডিজদের হারাল বাংলাদেশ।
উইকেটের টার্নকে কাজে লাগিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের ইনিংসে প্রথম ধাক্কাটি দিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। তার দুর্দান্ত এক ডেলিভারি এগিয়ে খেলতে গিয়ে স্ট্যাম্পিংয়ের ফাঁদে পড়েছেন কাইরন পাওয়েল, ফিরেছেন গোল্ডেন ডাকে। এর পর ৩ রান করা হোপকেও ফিরিয়েছেন তিনি।
তারপর জোড়া আঘাত তাইজুল ইসলামের। এক ওভারেই দুই এলবিডব্লিউ করে দেন বাঁহাতি এই স্পিনার। ওভারের প্রথম বলে তার শিকার ক্রেইগ ব্রেথওয়েট (৮), পঞ্চম বলে শূন্যতে এলবিডব্লিউ রস্টন চেজ।
প্রথম ইনিংসের মতো ভয়ংকর হয়ে উঠতে চেয়েছিলেন সিমরন হেটমেয়ার। এগিয়ে এসে খেলছিলেন তিনি। টি-টোয়েন্টি স্টাইলে ব্যাটিং করা হেটমেয়ারকে সাজঘরের পথ দেখান মেহেদী হাসান মিরাজ। ১৯ বলে ৩ চার আর ১ ছক্কায় ২৭ রান করেন তিনি।
এরপর তাইজুলের বলে আরেকটি এলবিডব্লিউ। এবার শেন ডোরিচ (৫)। ২ রান করা দেবেন্দ্র বিশুকে পরিষ্কার বোল্ড করে নিজের চতুর্থ উইকেট তুলে নেন বাঁহাতি এই স্পিনার।
এরপর অ্যমব্রিস ও ওয়ারিকেন মিলে ৬৩ রানের জুটি গড়েন। এ দুজনের পার্টনারশিপ ভেঙ্গে দেন মিরাজ। শেষ পর্যন্ত ১০ উইকেট হারিয়ে ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ দাড়ায় ১৩৯ রান। ৬৪ রানের ব্যবধানে প্রথম জয়ে ১-০ তে সিরিজ এগিয়ে রইল টাইগাররা।
