তিনি দক্ষিণের তারকা। কাজ করেছেন বলিউডেও। হৃতিক রোশনের সঙ্গে ‘মাহেঞ্জোদারো’ সিনেমায় দেখিয়েছেন গ্ল্যামারের ছটা। আরও বেশি কিছু সিনেমা দিয়েই তিনি নিজেকে লাইম লাইটে নিয়ে এসেছেন পূজা হেগড়ে। সময়টা বেশ ভালো যাচ্ছে বলা যায়। একে একে হাতে আছে বেশ কিছু বিগ বাজেটের সিনেমা। যেখানে তিনি কাজ করছেন সালমান খান, প্রভাস, রণবীর সিংদের বিপরীতে। স্বভাবতই নিজের দামটা বাড়িয়েই নেবেন তিনি।
২০১৯ সালে ‘মহর্ষি’ সিনেমা দিয়ে রুপালি পর্দায় আসা পূজা সম্প্রতি এক সিনেমার জন্য ৪ কোটি পারিশ্রমিক চেয়েছেন। জানা গেছে, ‘মাস্টার’ সিনেমার অভাবনীয় সাফল্যের পর থালাপতি বিজয়ের পরের ছবি নিয়েও সবার আগ্রহ তুঙ্গে। সেই সিনেমার নায়িকার দৌড়ে এগিয়ে আছেন পূজা।
তবে দক্ষিণ ভারতীয় সুপারস্টার বিজয়ের নায়িকা হতে অনেক নায়িকাই স্বপ্ন দেখেন। ইচ্ছে ও আগ্রহ দুটোই আছে পূজারও। তবে সেজন্য নিজের ইমেজ বা মূল্যে বিন্দুমাত্র ছাড় দিতে রাজি নন পূজা।
এই ছবির জন্য তিনি ৪ কোটি ৯ লাখ টাকা পারিশ্রমিক চেয়েছেন বলে তামিল সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির খবর। কলিউডে এই টাকার অঙ্ক যেকোনো নায়িকার জন্য অনেক বড় ব্যাপার।
বাণিজ্য বিশ্লেষক রমেশ রাজা বলিউড লাইফকে বলেন, “থালাপতি ৬৫’ সিনেমার নায়িকার বিষয়টি এখনো নিশ্চিত নয়। পূজা বুঝেশুনে পা ফেলতে চাইছেন। অন্যদিকে প্রযোজকদের জন্য চার কোটি একটা বড় সংখ্যা। রাশমিকা মান্দানা বা কিয়ারা আদভানিকেও পাওয়ার চেষ্টা করছেন তারা।”
তবে পূজার এখন যা চাহিদা তাতে ৪ কোটি টাকা খরচ করে যদি প্রযোজকেরা এ নায়িকাকেই বেছে নেন, তাহলে অবাক হওয়ার কিছুই থাকবে না।
প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে মিস ইউনিভার্স ইন্ডিয়ার মঞ্চে সেকেন্ড রানার আপের মুকুট উঠেছিল পূজার মাথায়। তার দুই বছর পর থেকেই শুরু কলিউডে সিনেমার ক্যারিয়ার। ‘মুগামোদি’ সিনেমা দিয়ে। এরপর নাগা চৈতন্যের সঙ্গে ‘ওকা লায়লা কোসাম’ সিনেমা দিয়ে পা রাখেন তেলেগু সিনেমাপাড়ায়। আর বলিউডে অভিষেক হয় হৃতিক রোশনের বিপরীতে ‘মাহেঞ্জোদারো’ সিনেমার হাত ধরে।
