৩-০ গোলে এগিয়ে থেকেও হেরে গেল মেসিরা

চ্যাম্পিয়নস লিগের সেমিফাইনালের প্রথম লেগে নিজেদের মাঠে ৩-০ গোলে জয় পেয়েছিল বার্সেলোনা। এগিয়ে থাকা স্প্যানিশ দলটি এবার লিভারপুলের মাঠে খেলতে এসেছিল।

গেল সপ্তাহে বার্সার মাঠ নু ক্যাম্পের উত্তেজনা ইংল্যান্ডেও এসেও থামেনি। সপ্তাহজুড়ে দুই দলের সমর্থকরা সরব ছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। তবে ম্যাচের আগের রাতে লিওনেল মেসিদের ভিন্নভাবে ‘স্বাগত’ জানানো হয়েছিল অলরেড ফ্যানদের পক্ষ থেকে।

যে হোটেলটিতে কাতালান দলটি অবস্থান নিয়েছিল তার আশেপাশে রাতভর আতশবাজি করেছেন স্বাগতিক সমর্থকরা। এতে নিঃসন্দেহে লা লিগা চ্যাম্পিয়নদের ঘুমে ব্যঘাত হয়েছে তা বলার অবকাশ নেই।

গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচটি হবার একদিন আগেই লিভারপুল কোচ ইয়ুর্গেন ক্লপ জানিয়েছিলেন, ইনজুরির কারণে দলের সেরা দুই তারকা মোহাম্মদ সালাহ আর রবার্তো ফিরমিনোকে পাওয়া যাচ্ছে না। মঙ্গলবার বাংলাদেশ সময় রাত একটায় মুখোমুখি বার্সা-লিভারপুল। এনফিল্ডে ম্যাচের সাত মিনিটের মাথায় গোল করে দলকে এগিয়ে দিলেন ডিভগ ওরিগি।

গোল হজমের পর সমতায় ফিরতে মরিয়া হয়ে ওঠে মেসি-সুয়ারেজরা। যদিও ব্রাজিলিয়ান গোলকিপার অ্যালিসন বেকারের কাছে বার বার পরাস্ত হতে হয়েছে তাদের। প্রথমার্ধের শেষভাগেও পর পর দুটি সুযোগ নষ্ট হয় বার্সার। বিরতির পর পুরো সময়টা ছিল লিভারপুলের।

ম্যাচের ৫৪ ও ৫৪তম মিনিটে পর পর দুটি গোল উপহার দেন জর্জিনিও উইনালদাম। ডাচ মিডফিল্ডারের এই দুই গোলেই ম্যাচ থেকে আরও ছিটকে যায় সফরকারীরা। ৭৪ মিনিটে বেলজিয়ান উইঙ্গার নিজের দ্বিতীয় ও দলের চতুর্থ গোলটি তুলে নেন। অথচ মাত্র একটি গোল পেলেই অ্যাওয়ে বেনিফিটে এগিয়ে যাওয়ার বিশাল সুযোগ ছিল বার্সার কাছে। শেষ পর্যন্ত কোনো গোল না হওয়া ৪-০ গোল নিয়ে মাঠ ছাড়ে ক্লপের শিষ্যরা। দুই লেগ মিলিয়ে স্কোর দাঁড়ায় লিভার পুল ৪- বার্সেলোনা ৩।

এতে ২০০৪-৫ মৌসুমের পর প্রথম বারের মতো ইউরোপ সেরার লড়াইয়ের ফাইনালে পৌঁছাল লিভারপুল। বৃহস্পতিবার আয়াক্স ও টটেনহ্যামের মধ্যে আরেক সেমিতে বিজয়ী দল পৌঁছে যাবে ফাইনালে। আগামী ৬ জুন মাদ্রিদে ওই দলটি শিরোপার জন্য লড়বে লিভারপুলের বিপক্ষে। ওয়াই