৩০০টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে ৩০৯৫ জন প্রার্থী

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৩০০টি সংসদীয় আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য ৩ হাজার ৯৫ জন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এরমধ্যে রিটার্নিং অফিসারের কার্যালয়ে জমা হয়েছে ৩ হাজার ৫৬টি। আর অনলাইনে জমা দেয়া হয়েছে ৩৯টি। তবে অনলাইনে মাত্র ২৩টি মনোনয়নপত্র ঠিকঠাকভাবে জমা দেয়া হয়েছে। এবারই প্রথমবারের মত অনলাইনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার ব্যবস্থা করেছিল ইসি। বুধবার বিকাল ৫টা পর্যন্ত সারাদেশের রির্টানিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার শেষদিন ছিল। পরে এ বিষয়ে নির্বাচন ভবনের মিডিয়া সেন্টারে ইসি সচিব হেলাল্দ্দুীন আহমদ প্রেসবিফ্রিংয়ে মনোনয়নপত্র জমার হিসাব জানান।

তার দেয়া তথ্যমতে, রংপুর বিভাগে মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে ৩৬১টি, রাজশাহীতে ৩৫৩, খুলনায় ৩৫১, বরিশালে ১৮২টি, ময়মনসিংহে ২৩৬, ঢাকা-৭০৮, সিলেটে ১৭৭ ও চট্টগ্রামে ৬৮৮ মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। সর্বোচ্চ মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে ঢাকা-৮ আসনে ২২জন। আর সর্বনিম্ন মনোনয়ন পড়েছে মাগুরা-২ আসনে ৪জন।

সচিব বলেন, মনোনয়নপত্র দাখিলের সময় কোথাও কোনো আচরণ বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া যায়নি। কোন দল থেকে কতজন, কোন জোট বা স্বতন্ত্র প্রার্থী কতজন তা বৃহস্পতিবার জানা যাবে।

এবার নির্বাচন সামনে রেখে ইসিতে নিবন্ধিত দলগুলোর মধ্যে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ১১ দল আর মহাজোটের ১১ দল জোটবন্ধ হয়ে নির্বাচন করছে। করে নির্বাচন কমিশন যে তালিকা দিয়েছে, তাতে দেশের ৩৯টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মধ্যে ২২টিই নির্বাচন করতে চায় নৌকা অথবা শীষ প্রতীক নিয়ে। এরমধ্যে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন জোটের ১১টি দল ‘ নৌকা’ প্রতীক এবং বিএনপির নেতৃত্বাধীন জোটের ১১টি দল ‘ধানের শীষ’ প্রতীক নিয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বস্দ্বিতার কথা জানিয়েছে।

এরমধ্যে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা আটটি এগুলো হলো-আওয়ামী লীগ, জাসদ, ওয়ার্কার্স পার্টি, সাম্যবাদী দল, গণতন্ত্রী পার্টি, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্ট-ন্যাপ, তরিকত ফেডারেশন ও জাতীয় পার্টি-জেপি, মুক্তিজোট, বাংলাদেশ ন্যাপ ও ইসলামিক ফ্রন্ট বাংলাদেশ। বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সই করা চিঠিতে জানানো হয়েছে, বিএনপি, এলডিপি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি-বিজেপি, খেলাফত মজলিশ, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি-জাগপা, বাংলাদেশ কল্যাণ পার্টি, বাংলাদেশ মুসলিম লীগ, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, গণফোরাম, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি ও কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করবে।