হেরে গেলেন প্রিয়াঙ্কা!

কংগ্রেসকে খাদের কিনারা থেকে টেনে তুলতে প্রিয়াঙ্কাকে সক্রিয় রাজনীতিতে এনেছিলেন তার ভাই রাহুল গান্ধি।

রাজনীতিতে অনাগ্রহী প্রিয়াঙ্কাকে বোঝাতে নিউইয়র্কে ছুটে গিয়েছিলেন তিনি।

ভাইয়ের অনুরোধে সাড়া দিয়ে নিউইয়র্কে বসবাসরত প্রিয়াঙ্কা নির্বাচনের মাস চারেক আগে স্বামী-সন্তানসহ ভারতে চলে এসেছিলেন।

দলকে উজ্জীবিত করতে তিনি গোটা ভারতজুড়ে ঘুরে বেড়িয়েছেন। কিন্তু এর সবই বিফলে গেল। প্রিয়াঙ্কা এখন কার্যত ব্যর্থ এক সেনাপতি।

মাস চারেক আগে রাজনীতিতে সক্রিয় হওয়ার পর প্রিয়াঙ্কাকে কংগ্রেস সম্পাদকের পদ পেয়েছিলেন। সঙ্গে তাকে দেওয়া হয়েছিল উত্তর প্রদেশে দল গোছানোর বিশাল বড় দায়িত্ব। দায়িত্বে পালনে প্রিয়াঙ্কা যে কোনো গাফেলতি করেননি সেটা তার চরম বিরোধীরাও স্বীকার করে নেবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ফলাফলটাই মুখ্য হয়ে দাঁড়ায়। আর সেখানেই হেরে গেছেন প্রিয়াঙ্কা।

উত্তর প্রদেশের ৮০টি আসনের মধ্যে কংগ্রেস জিতেছে মাত্র একটি আসনে। অর্থাৎ গতবারের চেয়েও এখানে খারাপ ফল করেছে তারা। এমনকি গত ৩০ বছর ধরে যে আসনটিতে কংগ্রেসকে কেউ হারাতে পারেনি সেই আমেথিতেও এবার তারা পরাজিত হয়েছে। এই আসনে গত দুবারের নির্বাচনে বিজেপির স্মৃতি ইরানিকে বিশাল ব্যাবধানে পরাজিত করেছিলেন কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গান্ধি। আর এবার রাহুল নিজেই সেখানে পরাজিত। এই নির্বাচনকে তাই প্রিয়াঙ্কার এক বড় ব্যর্থতা হিসেবেই দেখছেন অনেক।

তবে বিশ্লেষকরা বলছেন ভিন্ন কথা। প্রিয়াঙ্কা রাজনিতিতে একেবারেই নতুন। তার ওপর তাকে এমন একটা রাজ্যের ভার দেওয়া হয়েছিল যেখানে সুসঙ্গঠিত বিজেপির বিপরীতে কংগ্রেস একেবারেই ছন্নছাড়া। প্রিয়াঙ্কার হাতে সময়ও ছিল একেবারেই কম। সব মিলিয়ে তাই এবারের ফলফলকে প্রিয়াঙ্কার ব্যর্থতা হিসেবে দেখতে নারাজ বিশ্লেষকরা।