ক্যারবীয়দের বিপক্ষে টসে হেরে বোলিংয়ের শুরুতেই দুই স্পিনার দিয়ে দুই প্রান্ত থেকে আক্রমন শুরু করেন মাশরাফি। ম্যাচের ৮ম ওভারে প্রথম উইকেটে আঘাত হানেন সাকিব। পাওয়েলকে ১০ রানেই ক্যাচ আউটের ফাঁদে ফেলেন তিনি।
এরপর ব্রাভো-হোপের জুটিতে এগিয়ে যাচ্ছে উইন্ডিজ। কিন্তু ম্যাচের ১৬তম ওভারে একটি সুযোগ তৈরি করেছিল মুস্তাফিজ। কিন্তু সেই সুযোগ থেকে কোনো ফায়দা আদায় করতে পারেনি টাইগাররা। মুস্তাফিজের বলে ব্রাভোর শটটি সরাসরি চলে যায় আরিফুল হকের হাতে। কিন্তু হাতের ক্যাচটি মিস করে ব্রাভোকে নতুন জীবন দেন আরিফুল।
মুস্তাফিজের পর আবারো রুবেলে বলে মুশফিকের হাতে ক্যাচ তুলে দেন ব্রাভো। কিন্তু এবারও ক্যাচ মিস করনে মুশফিক। যার ফলে ১৪ রানে ও ১৯ রানে পরপর ২ বার নতুন জীবন পেলেন ব্রাভো।
আরিফুল-মুশফিকের ভূলটা আর ৩য় বারের মতো করলেন না তামিম। মাশরাফির বলে কাভারের উপর দিয়ে উড়িয়ে মারা ব্রাভোর শটটি হাওয়ায় ভেসে ক্যাচে পরিণিত করেন তামিম। ব্রাভো ফিরে যান ১৯ রান করেই।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ওয়েষ্ট ইন্ডিজের সংগ্রহ ২১ ওভার শেষে ২ উইকেটে ৬৫ রান। হোপ ৩৬ ও স্যামুয়েলস ০ রান করে ব্যাট করছেন।
সিরিজের প্রথম ম্যাচে দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও ইমরুল কায়েসের সাথে একাদশে রাখা হয়েছে সৌম্য সরকার ও লিটন দাসকেও।
এছাড়া দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে ফিরেছেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ও জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে সবশেষ ম্যাচে না খেলা মেহেদি হাসান মিরাজ, রুবেল হোসেন ও মোস্তাফিজুর রহমান।
তিন পেসার ও দুই স্পিনারের একাদশে অধিনায়ক মাশরাফি ও সহ-অধিনায়ক সাকিবের সাথে বোলিং ডিপার্টমেন্টে রয়েছেন মেহেদি হাসান মিরাজ, মোস্তাফিজুর রহমান ও রুবেল হোসেন। এছাড়া প্রয়োজন পড়লে হাত ঘোরানোর ডাক পড়তে পারে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও সৌম্য সরকারেরও।
বাংলাদেশ একাদশ : তামিম ইকবাল, ইমরুল কায়েস, সৌম্য সরকার, লিটন দাস, মুশফিকুর রহীম, সাকিব আল হাসান, মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ, মেহেদি হাসান মিরাজ, মাশরাফি বিন মর্তুজা, মোস্তাফিজুর রহমান, রুবেল হোসেন।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশ : কিরন পাওয়েল, শাই হোপ, ড্যারেন ব্রাভো, মারলন সামুয়েলস, শিমরন হেটমায়ার, রভম্যান পাওয়েল, রস্টন চেজ, কেমো পল, দেবেন্দ্র বিশু, কেমার রোচ ও ওশেন থমাস।
