বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী বলেছেন, যাত্রীদের বিদেশযাত্রা ও আগমনকে আরো আরামদায়ক করতে আগামী বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আড়াই হাজার নতুন ট্রলি যুক্ত হচ্ছে। রোববার বিমানবন্দরের দুই টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে আগমনী টার্মিনালে মিডিয়া ব্রিফিংয়ে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, গত এক-দুই দিন ট্রলি সংকটের জন্য অনেক যাত্রী ভোগান্তিতে পড়েছেন। এ ব্যাপারে আমরা কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। আমরা আপনাদের অবগত করতে চাই যে, বিমানবন্দরে মোট দুই হাজার ট্রলি রয়েছে।
এর মধ্যে প্রায় ৬০০ ট্রলি অচল হয়ে যায়। করোনার কারণে অচল ট্রলিগুলো মেরামত করা সম্ভব হয়নি। তবে আমরা প্রতিদিন ট্রলি মেরামত করছি। বর্তমানে সচল ট্রলির সংখ্যা মোট এক হাজার ৪০০টি। আগামী চার থেকে পাঁচদিনের মধ্যে আরো ৫০০ ট্রলি সচল হবে।
প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, যাত্রীদের ট্রলির সংকট সমাধানে ৩২জন কর্মীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ইউনিফর্ম পরিহিত এসব কর্মীরা প্রয়োজনে যাত্রীদের কাছে ট্রলি পৌঁছে দেবে। শিগগিরই এজন্য আরো ৫০ জন নিয়োগ দেওয়া হবে।
মধ্যপ্রাচ্যগামী যাত্রীদের ৮ ঘন্টা আগে বিমানবন্দরে উপস্থিত হওয়ার অনুরোধ জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পিসিআর টেস্টের জন্য ৬ ঘন্টা সময় লাগলেও পিসিআর টেস্ট পূর্ব অন্যান্য কিছু দাফতরিক কার্যক্রমের জন্য যাত্রীদের আরো এক থেকে দেড় ঘন্টা সময় প্রয়োজন হয়। অনেক যাত্রী কম সময় হাতে নিয়ে আসায় শেষ পর্যন্ত ফ্লাইট মিস করাসহ নানা ভোগান্তিতে পড়ে যান।
মিডিয়া ব্রিফিংকালে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব জনেন্দ্র নাথ সরকার, বেসামরিক বিমান
চলাচল কর্তৃপক্ষের সদস্য (পরিচালন) এয়ার কমোডর সাদেকুর রহমান চৌধুরী, সদস্য (প্রশাসন) মো. মিজানুর রহমান, সদস্য (নিরাপত্তা)
গ্রুপ ক্যাপ্টেন আবু সালেহ মাহমুদ মান্নাফী ও হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের নির্বাহী পরিচালক গ্রুপ ক্যাপ্টেন এ এইচ এম তৌহিদুল আহসান।
