স্কুলের মাঠে দেখা মিলল উ’’ল্কাপি’ণ্ডের। মাঠের সবুজ ঘাস চিরে বেশ কিছু দূর এগিয়েও গিয়েছে সেই জ্ব’ল’ন্ত উ’’ল্কাপি’ণ্ড। আশপাশের ঘাসগুলো পুড়ে গিয়েছে। একটু দূরে একটি গ’র্ত আর দুই-তিনটি কালো র’ঙের পোড়া পাথরের মতো জিনিস। অল্প ধোঁ’’য়াও রয়েছে।
অস্ট্রেলিয়ার উত্তর ক্যুইনসল্যান্ডের এ খবর মুহূর্তের মধ্যে আশপাশের শহরে ছড়িয়ে পড়ে। সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হতে শুরু করে ঘট’নার ছবি। স্থানীয় প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরাও ঘটনাস্থানে পৌঁছান। পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার জন্য তো’ড়জো’ড় শুরু করে দেন বিজ্ঞানীদের একাংশ। কিন্তু তারপর আসল বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
যা সত্যিই হ’তা’শ করে দেয় মহাকাশ-বিজ্ঞানীদের। আসলে সেটি উ’’ল্কা ছিল না। এটি ছিল স্কুলের প্রোজেক্ট! স্কুলের ছাত্র-ছাত্রীরাই মাঠে এই কৃত্রিম উ’ল্কাপা’তের দৃশ্য তৈরি করেছিল।
উত্তর কুইনসল্যান্ডের মাঠে উল্কাপাতের খবরটি হু-হু করে ছড়িয়ে পড়লে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে মানুষজনের প্রবেশ নি’ষি’দ্ধ করা হয়। পুলিশ পৌঁছায়। এম’নকি সোমবার মহাকাশ সংস্থা নাসার তরফ থেকেও অস্ট্রেলিয়ার ওই স্কুলকে রিপোর্ট দিতে বলা হয়। কিন্তু আসল ঘ’টনা জানার পর সবাই রীতিমতো হ’তবা’ক হয়ে যান।
এ নিয়ে পরের দিকে অস্ট্রেলিয়ান ক্রাশ ইনভেস্টিগেশন ইউনিটের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজেও একটি পোস্ট করা হয়। সেখানে এই উ’ল্কাপা’তের ছবিও শেয়ার করা হয়। কয়েকঘণ্টার মধ্যেই লাইক আর কমেন্টের ঝ’ড় ওঠে। তবে ত’তক্ষ’ণে অনেকে সত্যিটা জেনে গিয়েছেন। তাই নানা ধরনের মজার কমেন্টও দেখা গিয়েছে। এক ব্যবহারকারী লিখেছেন, খু’দেদের প্রচেষ্টা দারুণ। তবে আশপাশের লোকজনের জাজমেন্ট অত্যন্ত খারাপ।
এই বিষয়ে এক সাক্ষাৎকারে মালান্দা স্টেট স্কুলের প্রিন্সিপাল জানান, গোটা বিশ্ব থেকে একের পর এক প্রশ্ন আসতে শুরু করে। উ’’ল্কা পড়ার খবর শুনে নাসার তরফ থেকেও রিপোর্ট চাওয়া হয়। আসলে ওখানে কোনো উল্কা নেই। স্কুলের জার্নালিজমের ছাত্র-ছাত্রীদের উ’’ল্কাপা’ত নিয়ে একটি প্রোজেক্ট করতে বলা হয়েছিল। এটা সেই অ্যাসাইনমেন্টেরই অংশ।
এতে পুলিশকেও অংশ নেয়ার কথা বলা হয়েছিল। আসলে ছাত্র-ছাত্রীদের উ’’ল্কাপা’তের বিষয়টি বোঝানোর চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে এই সামান্য বিষয় নিয়ে যা হল, তা সত্যিই অ’বিশ্বা’স্য! আসলে কাউকে না জানিয়েই কেউ একজন সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দেয় ছবিটি। আর তার জে’রেই এত কা’ণ্ড!
