শাড়ি আর টিপে চিরকাল জব্দ পুরুষ হৃদয় । ওয়েস্টার্ন কালচারের আধিপত্য দিন দিন বেড়ে চললেও, শাড়ির জায়গা এখনও অক্ষত রয়ে গেছে । কথায় আছে বঙ্গ নারী মানেই শাড়ি। আর সেই বঙ্গনারীরাই তাই এক এক সময় এক একরকম শাড়িতে কাঁপিয়েছে পুরুষ হৃদয় । শুধু তাই নয় বর্তমানে শাড়ি পরার চল আমরা দেখতে পাই, সমুদ্র পেরিয়ে সুদূর ইউরোপেও । মাঝেমধ্যেই শাড়িতে চমক লাগিয়ে দেয় বিভিন্ন হলিউড তারকা।

তবে এবার কিন্তু প্রসঙ্গ হলিউড, বলিউড, টলিউড কিছুই না সোশ্যাল মিডিয়ার দরুণই শাড়ি পরা ছবিতে বাংলা সাইবার দুনিয়া কাঁপিয়ে বেড়াচ্ছেন আরেক বঙ্গনারী। কিছুদিন আগে রুপসা নামের এক বাঙালি তরুণীর মোহময়ী রুপ পাগল করেছিল নেটিজেনদের। এই বাঙালি তরুণীর নাম ত্রিয়া দাস । ত্রিয়ার ফেসবুক এবং ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে অনুমান করা যায়, সে কলকাতার বাসিন্দা। ত্রিয়ার সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা ছবিগুলি অনেক যুবকরেই রাতের ঘুম চুরি করার মত। বিভিন্ন ধরণের শাড়ি পরা লুকে অনবদ্য লাগছে ত্রিয়াকে । অনেকেই তার রূপের প্রশংসায় পঞ্চমুখ। ত্রিয়াকে বাংলার অন্যতম ক্রাশও বলা চলে, কারণ সৌন্দর্যে কোনোও টলি অভিনেত্রীর থেকে কম যান না তিনি আর ইনস্টাগ্রামে ফলোয়ারের সংখ্যাও ৭২ হাজার ছাড়িয়েছে ।

ফেসবুকেও রয়েছে ৩৫ হাজারের বেশি ফলোয়ার্স । ত্রিয়ার শেয়ার করা ছবিগুলিতে লাইকের পরিমাণ দেখলেই বোঝা যায় তার ফলোয়ার্সরা তাকে কতটা ভালোবাসে। ত্রিয়ার অনেক ছবিই ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপে শেয়ার হয়ে থাকে। এমনকি বাংলার বাইরের যথেষ্ঠ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন এই তরুণী ত্রিয়ার সোশ্যাল মিডিয়ার প্রোফাইল থেকে যতটা জানা যায়, তিনি আপাতত কলকাতাতেই থাকেন । আর পেশা বলতে গেলে ফ্রিল্যান্সার অর্থাৎ লেখালেখির কাজ করেন। এছাড়াও ছবিগুলি দেখেই আন্দাজ করা যায় তিনি মডেলিংয়ের কাজ করেন। একাধিক ছবিতে ত্রিয়াকে বিশেষত শাড়িতেই দেখা যায় অর্থাৎ তিনি শাড়ি পরেই মডেলিংয়ের কাজ করেন।

এছাড়াও ত্রিয়াকে কিছু ছবিতে নামজাদা বাঙালি ফ্যাশন ডিজাইনার অগ্নিমিত্রা পালের সাথেও দেখা যায় । এথেকে অনুমান করা যায় ত্রিয়া অগ্নিমিত্রা পালের কাছেই মডেল হিসেবে কাজ করেন । এছাড়াও ত্রিয়াকে অনলাইন শপিং পোর্টাল অ্যামাজনে বিক্রিত মহিলাদের পোশাকের মডেল হিসেবেও দেখা যায়। সোশ্যাল মিডিয়ায় ফলোয়ার্সের সংখ্যা আর মডেলিংয়ের এইসব ছবি দেখে বুঝতেই পারছেন ত্রিয়া কতটা জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন । আপনারা কি বলেন? আপনাদের মতামত কমেন্ট করে জানান।
