তামিম ইকবাল।সেঞ্চুরি করার আগের ওভারে আগ্রাসী রূপে ছিলেন তামিম ইকবাল। নব্বইয়ের ঘরে থাকলেও পা হড়কাননি। ছক্কা মেরে স্কোর নিয়ে আসেন ৯৮তে। ৩৮তম ওভারে কাঙ্ক্ষিত শতকের দেখা মেলে তামিমের। সিঙ্গেল নিয়ে পূরণ করেন ক্যারিয়ারের ১১তম সেঞ্চুরি। সেঞ্চুরি করার পর অবশ্য থিতু হননি। স্লগ সুইপ করতে গিয়ে দেবেন্দ্র বিশুর বলে ক্যাচ দিয়েছেন পাওয়েলকে।
তামিম ১০৩ রানে ফিরলেও তার সেঞ্চুরিতে নিরাপদে রয়েছে বাংলাদেশের স্কোর। ৪ উইকেটে ৩৯ ওভার শেষে সংগ্রহ দাঁড়িয়েছে ২০১ রান। মাহমুদউল্লাহ ব্যাট করছেন ২৫ রানে।
গায়ানায় দ্বিতীয় ওয়ানডের ব্যর্থতা ঝেরে সিরিজ জয়ের প্রত্যাশা বাংলাদেশের। সেন্ট কিটসে তাই টানা তৃতীয়বার টস ভাগ্য সহায় ছিল মাশরাফি বিন মুর্তজার। শুরুতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নিয়ে ধীর-স্থির ভঙ্গিতে শুরু করেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও এনামুল হক বিজয়।
দশম ওভারে অধিনায়ক জেসন হোল্ডার আসার পর থিতু হতে পারেননি ওপেনার এনামুল। তুলনামূলক ধীর স্থির খেলতে থাকা এনামুল হোল্ডারের শর্ট বলে অতি সাধারণভাবে হুক করেন। তাতে মিড অনে জমা পড়েন কিয়েরন পাওয়েলের হাতে। ধীরে খেলতে থাকা এনামুলের ৩১ বলে সংগ্রহ ছিল ১০ রান!

১৩তম ওভারে সুযোগ দিয়েছিলেন তামিম ইকবাল। দেবেন্দ্র বিশুর স্পিনে বল ভাসিয়েছিলেন মিডউইকেটে। বল আঙুলে ছুয়েছিলেন হেটমেয়ার। পুরোপুরি আয়ত্ত্বে আনতে পারেননি সেই বল। তাতে সুযোগের পুরো সদ্ব্যবহার করছেন ওপেনার তামিম। পূরণ করেছেন ৪৩তম হাফসেঞ্চুরি। তামিম ব্যাট করছেন ৫০ রানে।
এনামুল ফিরলে সাকিব নেমে রানের চাকা আরও সচল করেন। ধীরে-সুস্থে খেলে এই জুটি এগিয়ে নিতে থাকে বাংলাদেশকে। ৮১ রানের জুটি গড়েন দুজন। ত্রাস ছড়ানো জুটি ভেঙে ক্যারিবীয় শিবিরে স্বস্তি ফেরান অ্যাশলে নার্স। ২৫.৩ ওভারে স্লগ সুইপ করার চেষ্টা করেন সাকিব। বল টপ এজ হয়ে জমা পড়েন ডিপ স্কয়ারে থাকা কিমো পলের হাতে।
তার বিদায়ের পর মুশফিক নেমেছিলেন মাইলফলক ছোঁয়ার আশায়। আর ২০ রান করলে ষষ্ঠ উইকেটকিপার হিসেবে সর্বোচ্চ রানের তালিকায় পেছনে ফেলতেন ইংলিশ উইকেট কিপার অ্যালেক স্টুয়ার্টকে। দুর্ভাগ্য স্কুপ করতে গিয়ে বোল্ড হন নার্সের বলে। বিদায় নেওয়ার আগে করেন ১২ রান।
বিদেশের মাটিতে পঞ্চম এবং ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে তৃতীয়বারের মতো সিরিজ জয়ের হাতছানি বাংলাদেশের সামনে। তৃতীয় ওয়ানডেতে তাই অপরিবর্তিত একাদশ রেখে বাংলাদেশ। অপর দিকে ওয়েস্ট ইন্ডিজ দুটি পরিবর্তন এনেছে। কিয়েরন পাওয়েল ও শেলডন কট্রেল ঢুকেছেন দলে। বাদ পড়েছেন জেসন মোহাম্মদ ও আলজারি জোসেফ।
বল হাতে আক্রমণের শুরুটা করেন ডাক পাওয়া শেলডন কট্রেল। বার বার রান আপ নিতে গিয়ে খেই হারিয়েছেন। তাতে বেশ কিছু অতিরিক্ত রান দিয়ে বাংলাদেশের স্কোর বোর্ড সমৃদ্ধ করেছেন।
