মানিকগঞ্জে’র সিংগাইর উপজে’লা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ও সিংগাইর সরকারি ডিগ্রী কলেজে’র ভিপি ফারুক হাসান মিরুকে কু’পিয়ে হ’ত্যার ঘ’টনায় বুধবার (৩ মা’র্চ) সকাল পর্যন্ত কোনো মা’মলা হয়নি। তবে পরিবারের পক্ষ থেকে মা’মলা দা’য়েরের প্র’স্তুতি চলছে বলে জা’না গেছে।
এদিকে ঘ’টনাস্থলের পাশে থাকা একটি সিসি টিভির ফুটেজ সংগ্রহ করেছে পু’লিশ। সেই ফুটেজ পর্যালোচনা করে খু’নিদের শনা’ক্তের চেষ্টা চলছে বলে পু’লিশের পক্ষ থেকে জা’নানো হয়েছে।
সিসি টিভির সেই ফুটেজ জাগো নিউজে’র হাতেও এসেছে। সেখানে দেখা যায়, ফারুক হোসেন মিরু এবং তার সহযোগী আলমাস খান উপজে’লা পরিষদের সামনের রাস্তায় দুটি মোটরসাইকেল পাশাপাশি চালিয়ে যাচ্ছেন।
কিছুক্ষণ পর মিরুর সেই সহযোগী দৌড়ে যাচ্ছেন। পেছনে দুই ব্য’ক্তি ধা’রালো অ’স্ত্র হাতে ধাওয়া করছে তাকে। এর কিছুক্ষণ পর যে সিএনজি অটোরিকশা দিয়ে তাদের মোটরসাইকেল গতিরো’ধ করা হয় সেই সিএনজি দুটিও তাদের পেছনে যায়।
মিরুর স’ঙ্গে মোটরসাইকেল চালিয়ে আসা আলমাস খান সাংবাদিকদের জা’নান, দুটি সিএনজি অটোরিকশা দিয়ে প্রথমে তাদের মোটরসাইকেলের গতিরো’ধ করা হয়। এরপর ধা’রালো অ’স্ত্র নিয়ে তাদের ধাওয়া করে স’ন্ত্রাসীরা।
দুজন দুদিকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন তারা। মিরুর পেছনে ধাওয়া করে ৭/৮ জন। হা’মলা কারী সবাই মুখোশধারী ছিলো বলে জা’নান তিনি। দৌড়ে একটি ভুট্টাখেতে আশ্রয় নিয়ে প্রা’ণে বাঁচেন তিনি।
সিংগাইর সার্কেলের অতিরি’ক্ত পু’লিশ সুপার রেজাউল ইসলাম জা’নান, ছাত্রলীগ নেতা মিরু হ’ত্যার ঘ’টনায় থা’নায় এখনও কোনো লিখিত অ’ভিযোগ পাওয়া যায়নি। তবে তাদের পরিবারের পক্ষ থেকে মা’মলা দা’য়েরের প্র’স্তুতি চলছে। এদিকে মঙ্গলবার রাতে জা’নাজা শেষে ছাত্রলীগ নেতা মিরুকে সিংগাইরের আজিমনগর ক’বরস্থানে দা’ফন করা হয়েছে।
সোমবার মধ্যরাতে একটি অনুষ্ঠান থেকে ফারুক হাসান মিরু ও তার সহযোগী আলমাস খান দুটি মোটরসাইকেলে বাড়ি ফিরছিলেন। সিংগাইর উপজে’লা পরিষদের সামনের রাস্তায় দুটি সিএনজি দিয়ে তাদের মোটরসাইকেলের গতিরো’ধ করা হয়। মুখোশধারী স’ন্ত্রাসীদের এলোপাতারি কোপে মিরু মা’রাত্বক আ’হত হন। দৌড়ে প্রা’ণে বাঁচেন মিরুর সহযোগী আলমাস খান।
মিরুকে উ’দ্ধার করে প্রথমে উপজে’লা স্বা’স্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে পঙ্গু হাসপাতালে নেয়া হয়। সেখানে চিকি’ৎসাধীন অব’স্থায় মঙ্গলবার দুপুরে মা’রা যান তিনি। সিংগাইর উপজে’লা আওয়ামী লীগের অভ্যন্তরীণ কোন্দলেই মিরুকে হ’ত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পু’লিশ।
