সিলেটে ওসমানী মেডিকেলে রোগীর নাতনীকে ধর্ষণ করা সেই চিকিৎসক কারাগারে

মহাৎ একটি পেশার নাম চিকিৎসা করা বা ডাক্তারি।যিনি মানুষকে সেবা দিয়ে থাকেন তার সেবায় হাজােরো মানুষ সুস্থ হয়ে উঠেন ফিরে পান স্বাভিক জীবন। সেই চিকিৎসক যদি করেন জগন্ন খারাপ কাজ সেটা সাধারন মানুষের কাছে কতটা ঘৃন্যের।এমনি এক জগন্ন্য ঘটনা ঘটিয়েছেন দেশের নামকরা হাসপাতালের এক চিকিৎসক ।জানা গেছে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রোগীর সঙ্গে থাকা স্বজনকে ধর্ষণের অভিযোগে কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে ইন্টার্ন চিকিৎসক মাক্কাম আহমদ মাহীকে (৩০)।
সোমবার স্কুলছাত্রীর বাবা কোতোয়ালি থানায় মাহীর বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেছেন (মামলা নং-২৬)। পরে তাকে অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে হাজির করলে আদালতের বিচারক মোসতাইন বিল্লাল তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

কোতোয়ালি থানার সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার গোলাম কাওসার দস্তগীর বলেন, ধর্ষণের শিকার স্কুলছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে ওসমানী মেডিক্যালের ইন্টার্ন চিকিৎসক মাহীর বিরুদ্ধে থানায় ধর্ষণের অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন। পরে তাকে ওই মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে পুলিশ অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন আদালতে হাজির করলে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে রোববার নগরের বনকলা পাড়ার বাসিন্দার রোগীর সঙ্গে আসেন ওই ছাত্রী। ভিকটিম তার নানিকে নিয়ে ৮ নম্বর ওয়ার্ডে ছিল। সেই ওয়ার্ডে চিকিৎসক না থাকায় রোগীর নাতনি ভোর রাত ৩টার দিকে প্রেসক্রিপশন নিয়ে হাসপাতালের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ইন্টার্ন চিকিৎসকের কক্ষে যান।

এসময় চিকিৎসক ইন্টার্ন মাহতাব মাহবুব মাহিম তাকে ধর্ষণ করে। ঘটনাটি জানাজানি হলে হাসপাতালে তোলপাড় সৃষ্টি হয়। ভিকটিমকে হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করেন রোগীর স্বজনরা।