ইউএস অফিস অব নেভাল ইন্টেলিজেন্স (ওএনআই) এর তথ্য অনুযায়ী, ২০১৫ সালে চীনা নৌবাহিনীর বহরে ২৫৫টি যু”দ্ধজাহাজ ছিল। ২০২০ সালের শেষের দিকে জাহাজের সংখ্যা বেড়ে ৩৬০ এ দাঁড়িয়েছে। হিসাব বলছে, যুক্তরাষ্ট্রের চেয়ে চীনের কাছে ৬০টি জাহাজ বেশি আছে।
ধারণা করা হচ্ছে, আগামী চার বছর পর, চীনের কাছে ৪০০টি যুদ্ধজাহাজ থাকবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে ওএনআই। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের নিজেদের নৌবহরে ৩৫৫টি জাহাজ রাখার পরিকল্পনা রয়েছে। খবর, সিএনএন ও স্টেটওয়াচ
সিএনএন ও স্টেটওয়াচ বলছে, বিশ্বে মার্কিন নৌবাহিনী শ্রেষ্ঠত্ব হারাতে বসেছে। তবে, এখনও সেনা সংখ্যার দিক থেকে এগিয়ে আছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন নৌবাহিনীতে প্রায় ৩ লাখ ৩০ হাজার সেনা আছেন। অন্যদিকে চীনের নৌবাহিনীতে আছে ২ লাখ ৫০ লাখ সেনা।
সিএনএন জানায়, ২০১৮ সালে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং পিপলস লিবারেশন আর্মির নৌবাহিনীকে শক্তিশালী করতে উদ্যোগ নেন। সে বছর এপ্রিল মাসে দেশটি সবচেয়ে বড় নৌ মহড়া করে। ওই মহড়ায় ৪৮টি নৌবহর, কয়েক ডজন যুদ্ধবিমান ও ১০ হাজার সেনা অংশ নেয়।
স্টেটওয়াচ গতকাল রোববার জানায়, মার্কিন নৌবাহিনীর প্রকাশিত ৩৬ পৃষ্ঠার এক কৌশলপত্রে বলা হয়, সমুদ্রে প্রতিনিয়ত চীন ও রাশিয়াকে মোকাবেলা করতে হয় মার্কিন বাহিনগুলোকে। মার্কিন মেরিন কমান্ডার জেনারেল ডেভিড বার্গার, নৌবাহিনীর অপারেশন্স প্রধান অ্যাডমিরাল মাইক গিলডে এবং উপক‚লরক্ষী বাহিনীর প্রধান অ্যাডমিরাল কার্ল শুলৎজ এই কৌশলপত্রে লিখেছেন। বাইডেন প্রশাসনের ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক কার্যকলাপ কমানোর সম্ভাবনা কম।
