রোজার ভেতর ক্লাস চায় না প্রায় ৮৭ শতাংশ মানুষ

হামা’রি করো’নাভাই’রাসের কারণে দীর্ঘ এক বছর ব’ন্ধ থাকার পর আগামী ৩০ মা’র্চ খুলতে যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এবার রমজানেও ক্লাস হবে বলে জা’নান শিক্ষামন্ত্রী ড. দীপু মনি। কিন্তু রমজানের ভেতর ক্লাস চলা উচিত নয় বলে জা’নিয়েছে দেশের প্রায় ৮৭ শতাংশ মানুষ।

গত বুধবার (৩ মা’র্চ) থেকে শুরু করে গতকাল শনিবার (৬ মা’র্চ) পর্যন্ত চলা সময় অনলাইনের এক জ’রিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।জ’রিপে রোজায় ক্লাস চলা উচিত নয় বলে মতামত দিয়েছে ৮৬ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ। আর রোজায় ক্লাস চলাস উচিত বলে মতামত দিয়েছে ১২ দশমিক ৩৩ শতাংশ মানুষ। এ ছাড়া রোজায় ক্লাস করা উচিত কি উচিত না, এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য দেয়নি শূন্য দশমিক ৭৪ শতাংশ মানুষ।

সময় অনলাইনের করা জ’রিপে বলা হয়েছিল ‘রোজার মধ্যে স্কুল-কলেজে ক্লাস নেয়া হবে বলে জা’নিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। আপনি কী’ মনে করেন?।’ ৪ দিনের চলা এই জ’রিপে মতামত দিয়েছে মোট ৭১ হাজার ২৫ জন মানুষ।

যেখানে রোজায় ক্লাস করা উচিত বলে মতামত দিয়েছে ৮ হাজার ৭৫৫ জন। আর রোজায় ক্লাস করা উচিত নয় বলে মতামত দিয়েছে ৬১ হাজার ৭১৮ জন মানুষ। এ ছাড়া এ বিষয়ে মন্তব্য করেনি ৫২৯ জন মানুষ।

এর আগে ২৭ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যায় আন্তঃমন্ত্রণালয়ের বৈঠক শেষে শিক্ষামন্ত্রী জা’নান, আসন্ন রমজান মাসে ক্লাস ব’ন্ধ রাখার কোনো প’রিকল্পনা নেই।তিনি বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার আগে শিক্ষক ক’র্মচারীদের টিকা দেয়ার কাজ শেষ করা হবে। পুরো রোজায় ক্লাস ব’ন্ধ রাখার প’রিকল্পনা নেই। শুধু ঈদের সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব’ন্ধ থাকবে।

একইদিন শিক্ষামন্ত্রী জা’নান, আগামী ৩০ মা’র্চ দেশের সব স্কুল-কলেজ খু’লে দেওয়া হবে। তিনি বলেন ক্লাস ফাইভে সপ্তাহে ৫ দিন, এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে সপ্তাহে ৬ দিন এবং বাকিদের ক্ষেত্রে সপ্তাহে ১ দিন করে ক্লাস হবে।

দেশে করো’না শনা’ক্ত হওয়ার পর থেকে ২০২০ সালের বছরের ১৭ মা’র্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব’ন্ধ রয়েছে। কয়েক ধাপে বাড়ানোর পর ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ছুটি ঘো’ষণা করা হয়।গত ২২ জানুয়ারি করো’না প’রিস্থিতিতে স্বা’স্থ্যবিধি নি’শ্চিত করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলতে গাইডলাইন প্র’কাশ করে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর। এ গাইডলাইন অনুসরণ করে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার প্র’স্তুতি নিতে বলা হয়। স্কুল-কলেজগুলোতে ৩৯ পাতার গাইডলাইন পাঠিয়ে বলা হয়, ৪ ফেব্রুয়ারির মধ্যে স্কুলগুলো প্র’স্তুত করে রাখতে, যাতে যে কোনো মুহূ’র্তে সেগুলো খু’লে দেয়া যেতে পারে।

উল্লেখ্য, করো’নাভাই’রাস প’রিস্থিতির কারণে সারা বিশ্বকে নানা চ্যালেঞ্জ মো’কাবিলা ক’রতে হচ্ছে। প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের এই প্রতিকূল স্রোতের মু’খোমুখি বাংলাদেশও। অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জে’র মতো বাংলাদেশের জন্য আরেকটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে শিক্ষা খাত। প্রায় ১২ মাস ধ’রে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব’ন্ধ। কিছু ক্ষেত্রে অনলাইনে কার্যক্রম চলমান।