
নিজের প্রথম ১০০ বল থেকে মাত্র ৩০ রান করতে পেরেছিলেন চারি। এরপর ত্রিশ থেকে পঞ্চাশে পৌঁছতে তিনি খেলেন মাত্র ১১টি বল। খালেদকে ছক্কা মারার পরে তাইজুলের এক ওভারেই মারেন তিন চার। ১১১ বলে তুলে নিয়েছেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় ফিফটি। তবে মধ্যাহ্ন বিরতির ঠিক আগে দিয়ে তিনি সাজঘরে ফিরে যাওয়ায় খানিক চাপে পড়ে গিয়েছে সফরকারিরা।
চারির পঞ্চাশে অবশ্য অবদান ছিলো বাংলাদেশের ফিল্ডাদেরও। অভিষিক্ত খালেদ আহমদের বোলিংয়েই পয়েন্ট অঞ্চলে চারির ক্যাচ ছেড়ে দিয়েছিলেন তাইজুল। জীবন পেয়েই নিজের ফিফটি তুলে নেন চারি। তিনি জীবন পেয়েছিলেন আরও একবার। মেহেদি হাসান মিরাজের বলে লেগস্লিপে ক্যাচ ছেড়েছিলেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
তবে এরপর আর তাকে বেশিদূর যেতে দেননি মিরাজ। ঠিক পরের বলেই শর্ট লেগে দাঁড়ানো মুমিনুল হকের হাতে ক্যাচ বানিয়ে সাজঘরে পাঠিয়ে দেন ১২৮ বলের সংগ্রামী ইনিংসে ৫৩ রান করা চারিকে। আউটটা অবশ্য বেশ অদ্ভূত ছিল। প্রথমে বাংলাদেশি ফিল্ডারদের আবেদনে সাড়া দেননি আম্পায়ার।
রিভিউ নেয় বাংলাদেশ। রিভিউয়ে দেখা যায়, চারির উরুতে বল লেগে সেটা একটু খানি ছুঁয়ে যায় উপরে উঠান হাতের গ্লাভসে। স্নিকোমিটারে যে সূক্ষ্ম স্পর্শটি ধরা পড়েছে। ফলে সিদ্ধান্ত বদল করতে হয় আম্পায়ারকে।
মধ্যাহ্ন বিরতির আগপর্যন্ত এর পরের বাকি সময়টুকু নির্বিঘ্নেই কাটিয়ে দেন জিম্বাবুয়ের অন্যতম সেরা দুই ব্যাটসম্যান ব্রেন্ডন টেলর এবং শন উইলিয়ামস।
বিরতির ঠিক আগের ওভারেই দলীয় শতক পূরণ হয়েছে জিম্বাবুয়ের। তিন উইকেটে ঠিক ১০০ রান নিয়েই লাঞ্চ ব্রেকে গিয়েছে তারা। স্বাগতিক বাংলাদেশের চেয়ে এখনো ৪২২ রানে পিছিয়ে তারা। ফলো-অন এড়াতে এখনো প্রয়োজন ২২২ রান।
বিরতির পর ব্যাটিংয়ে নেমে আবারো উইকেটের আঘাত হানেন সেই তাইজুল। তুলে নেন তার তৃতীয় উইকেট। উইলিয়ামসকে সরাসরি বোল্ড করেন তাইজুল। এরপর রাজাকেও আউট করেন তিনি।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ৫ উইকেট হারিয়ে জিম্বাবুয়ের সংগ্রহ ১৩১ রান। টেলর ৪০ রান করে ব্যাট করছেন।
