রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ
স্থায়ী ক্যাম্পাস দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ

শাহজাদপুরে রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়র স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের ডিপিপি অনুমোদনের দাবিতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অবরোধ ও মানববন্ধন কর্মসূচি সফলভাবে পালন করা হয়; পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টার পদত্যাগও দাবিতে।

অবরোধ ও মানববন্ধনে প্রধান দাবিসমূহ

  • ডিপিপি অনুমোদন: বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য দ্রুত ডিপিপি (পেমেন্ট প্রসিডিওর প্ল্যান) অনুমোদন চাওয়া হয়।

  • উপদেষ্টা দায়িত্ব থেকে মুক্তির দাবি: পরিবেশ, বন ও জলবায়ু মন্ত্রণালয় এবং পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসানের পদত্যাগ দাবি করেন বক্তারা।

কর্মসূচির বিবরণ (২৭–২৮ জুলাই)

রোববার, ২৭ জুলাই

সকাল ১০:১৫ থেকে ১১:১৫ পর্যন্ত শাহজাদপুর পৌর শহরে বিসিক বাসস্ট্যান্ডের রবীন্দ্র ভাস্কর্য চত্বরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন

  • প্রফেসর Dr. এস এম হাসান তালুকদার

  • প্রফেসর সুমন কান্তি বড়ুয়া

  • ট্রেজারার প্রফেসর ফিরোজ আহমদ
    শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, শিক্ষার্থী, এবং এলাকার রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ অংশ নেন।

সোমবার, ২৮ জুলাই

ঢাকা–পাবনা মহাসড়কের সামনের অংশকে প্রতীকী ভাবে অবরোধ করে সকাল ১০টা থেকে ১১টা পর্যন্ত ‘প্রতীকী ক্লাস’ ঘোষণা করা হয়।
প্রকাশ্য ঘোষণা দেন

  • শিক্ষক‑কর্মচারীদের পক্ষে: অর্থনীতি বিভাগের চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম

  • শিক্ষার্থীদের পক্ষে: জাকারিয়া জিহাদ

বক্তব্য সংক্ষিপ্তায়

শিক্ষক ও কর্মকর্তাবৃন্দ

  • নজরুল ইসলাম (অর্থনীতি বিভাগ): দীর্ঘ ৯ বছর ধরে আনুষ্ঠানিক ক্যাম্পাস বিনা প্রতিষ্ঠান চলাচলের বিরুদ্ধে হতাশা প্রকাশ; যারা গাফিলতি করেছে ব্যক্তিরাও দায়ী বলে দাবি।

  • ইয়াতসিংহ শুভ (সংগীত বিভাগ): প্রস্তাবিত ডিপিপির তথ্য‑প্রমাণ সহ বিভিন্ন দপ্তরে প্রেরণ করা হলেও অনুমোদন পাওয়া হয়নি; কোনো স্বার্থান্বেষী মহল জড়িত থাকতে পারে অভিযোগ।

  • শেখ আল মাসুদ (সহ. রেজিস্ট্রার): সুদূরপ্রসারী ‌অস্ত্র প্রস্তাবনা—তাবার বলতে চলছে, দেশের নামাঙ্কিত বিশ্ববিদ্যালয়টির জন্য রাস্তা অবরোধ প্রয়োজন হয়নি।

শিক্ষার্থীরা

  • জাকারিয়া (সমাজবিজ্ঞান বিভাগ): ভাড়া‑ভিত্তিক ক্যাম্পাস শিক্ষা ব্যবস্থা লজ্জাজনক; আন্দোলন ছাড়া শ্রেণিকক্ষে ফেরার কথা নয়।

  • মিরাজ হোসেন (বাংলা বিভাগ): সরকারের প্রতিশ্রুতি পালনের অভাবে রাজপথে আসতে বাধ্য হয়েছিলেন।

  • হৃদয় সরকার (সংগীত বিভাগ), রায়হান আলী (সমাজবিজ্ঞান), সুজানা (অর্থনীতি), আজিজ (ম্যানেজমেন্ট): ভবিষ্যতে আরও কঠোর কর্মসূচি, রেল ও সড়ক অবরোধ সহ দাবি বাস্তবায়নের অঙ্গীকার।

বিশ্লেষণ: ঘটনা ও প্রেক্ষাপট

  • ৯ বছরের অপেক্ষা: বিশ্ববিদ্যালয়টির স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণ দীর্ঘ দিন ধরে আটকে রয়েছে—ডিপিপি অনুমোদনের দোটানায়।

  • বিভিন্ন দপ্তরের ছাড়পত্র সরবরাহ: পরিবেশ অধিদপ্তর, হাওড় ও জলাভূমি উন্নয়ন অধিদপ্তর, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তর ও শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সেরা ছাড়পত্র সংগ্রহ করা হয়েছে।

  • প্রশাসনিক গাফিলতির অভিযোগ: ডিপিপি একনেকে প্রতিবারই এজেন্ডাভুক্ত হয়নি; এতে সৈয়দা রিজওয়ানা-এর অবদানের সন্দেহ করা হয়।

ভবিষ্যৎ কর্মসূচি ও সম্ভাব্য অবস্থা

  • শিক্ষার্থী ও স্টাফরা ঘোষণা দিয়েছেন, ক্যাম্পাস অনুমোদন না পেলে রাজপথ থেকে সরবেন না।

  • উত্তরবঙ্গসহ সারাদেশে সড়ক ও রেল পথে অবরোধ কর্মসূচিতে যেতে পারে।

  • প্রশাসনের দিকে স্পষ্ট ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আশা করছেন আন্দোলনকারীরা—বিশেষত একনেকে ডিপিপি অনুমোদন এবং উপদেষ্টার পদত্যাগ।

নির্বাচিত নির্দেশনা:

  • প্রধান শিরোনাম

  • মূল বিভাগ (দাবি, বিবরণ, বক্তব্য, বিশ্লেষণ, ভবিষ্যৎ কর্মসূচি)

  • বিবরণ ও বক্তব্য সাজানো সাবহেডার