‘রনি ভাইয়ের মতো আরও ৫ জন এগিয়ে এলে আমার স্বামী রিফাত শরীফ বাঁচতো’। বৃহস্পতিবার বিকেলে রিফাতে নিজ বাড়িতে কাঁদতে কাঁদতে এমন আক্ষেপের কথা বলছেন স্ত্রী আয়েশা সিদ্দিকা মিন্নি।
জানা যায়, রিফাতের ওপর হামলার সময় বরগুনা সরকারি কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি নুরুল ইসলাম রনি হামলাকারীদের শান্ত করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন।
বিকেলে রিফাতের দাফন শেষে নুরুল ইসলাম রনি জানান, সবাই দাঁড়িয়ে হত্যাকাণ্ড দেখবে সেটা কখনো হয় না। আমি যেহেতু মানুষ সেই হিসেবে আমার দায়িত্ব পালন করেছি। যতটুকু পেরেছি ততটুকু করেও শেষ পর্যন্ত রক্ষা করতে পারলাম না রিফাত শরীফকে। আমাদের ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন রিফাত। বড় কষ্ট হচ্ছে, বিবেকের কাছে নিজেকে অপরাধী মনে হচ্ছে।
এদিকে এ ঘটনার পর জেলা প্রশাসন, পুলিশ, র্যাব, জেলা গোয়েন্দা শাখার সদস্যরা শহরের বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে তল্লাশি করছে।
বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রিফাতের বাড়িতে জানাজা নামাজ শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
