বলিউড তারকাদের বিয়ের- প্রথম পরিচয়। তারপর চেনাজানা। এরপর তড়িঘড়ি প্রেম। অল্পদিনেই ঝটপট বিয়ে। আবার খুবই অল্প সময়ের ব্যবধানে বিচ্ছেদ। এ যেন বলিউড তারকাদের নিয়মে পরিণত হয়েছিল।
এমনই কিছু তারকাদের বিয়ে ও বিচ্ছেদের গল্প নিয়ে তৈরি করা হয়েছে এই প্রতিবেদন-
মনীষা : নেপালি ব্যবসায়ী সম্রাট দহলকে বিয়ে করেছিলেন মনীষা। মাত্র দু’বছরের মধ্যেই ডিভোর্স হয়ে যায় মনীষা আর সম্রাটের। এমনকি ফেসবুকে মনীষা লেখেন, ‘আমার স্বামীর থেকে বড় শত্রু আর আমার কেউ নেই।’
মল্লিকা শেরাওয়াত : বিয়ের কথা কখনও প্রকাশ্যে আনেননি মল্লিকা শেরাওয়াত। তবে ইন্ডাস্ট্রিতে পা রাখার আগেই ২০০০ সালে বিমানচালক কর্ণ সিংহ গিলকে বিয়ে করেছিলেন মল্লিকা। সিনেমায় নিজের ক্যারিয়ার গড়বেন বলে পরিবারকে সময় দিতে পারবেন না। এই কারণ দেখিয়ে বিয়ের এক বছরের মধ্যেই কর্ণের সঙ্গে ডিভোর্স হয়ে যায় মল্লিকার।
কর্ণ সিংহ গ্রোভার : বিয়ের এক বছরের মাথায় শ্রদ্ধা নিগমের সঙ্গে বিচ্ছেদ হয়ে যায় কর্ণ সিংহ গ্রোভারের। তার পরে কর্ণ বিয়ে করেন জেনিফার উইঞ্জেটকে। কিন্তু জেনিফারের সঙ্গেও দু’বছর পরে ডিভোর্স হয়ে যায় কর্ণের। পরে বিপাশা বসুকে বিয়ে করেন কর্ণ।
পুলকিত সম্রাটঃ শ্বেতা রোহিরা নামের একজনকে বিয়ে করেছিলেন অভিনেতা পুলকিত সম্রাট। কিন্তু সে বিয়ে টেকেনি বেশিদিন। এক বছরের মাথায় ডিভোর্স হয়ে যায় দু’জনের। আর তার পরেই রটনা রটে ইয়ামি গৌতমের সঙ্গে ডেট করছেন পুলকিত।
সারা খান : বিগ বস হাউসের ভিতরেই টেলি তারকা সারা খান আর আলি মার্চেন্ট বিয়ে করেছিলেন। মাত্র দু’মাস টিকেছিল সেই বিয়ে। আর আলি বলেছিলেন, ‘এটা আমার জীবনের একটা ভুল পদক্ষেপ।’
রেখা : অমিতাভ আর রেখার সম্পর্কের কথা বলিউডে কান পাতলেই শোনা যায়। তবে মুকেশ অগ্রবাল নামে দিল্লির এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে বিয়ে হয় রেখার। কিন্তু সে বিয়েও টেকেনি বেশিদিন। বিয়ের এক বছরের মাথায় আত্মঘাতী হন মুকেশ।
মেয়েদের বক্ষে এত আকর্ষণ কেন? চলুন শুনি কী বলেন মেয়েরা
কেন যৌন আকর্ষণের মূলকেন্দ্র মেয়েদের বক্ষস্থল? শুধুই কি যৌনতা নাকি অনেক ক্ষেত্রেই শুধু নান্দনিক আকর্ষণও থাকে? এক এক জনের ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতাটি অবশ্যই একেক রকম।
মেয়েদের শরীরের সবচেয়ে আকর্ষণীয় অংশ বক্ষস্থল। কিন্তু কীসের জন্য এই আকর্ষণ? শুধুমাত্র ছেলেরা নয়, মেয়েরাও কিন্তু বক্ষসৌন্দর্যের প্রতি আকৃষ্ট হন। কিন্তু কেন?
১) এই বিষয়ে প্রথম তত্ত্বটি অবশ্যই সিগমুন্ড ফ্রয়েডের, যেখানে তিনি বলেছেন যে মায়ের কোল থেকেই অবচেতনে যৌনতা সম্পর্কে প্রথম ধারণাটি জন্মায় মানুষের। অর্থাৎ স্তন্যপানের অভিজ্ঞতাই ভবিষ্যতে স্তন সম্পর্কে আকর্ষণ তৈরি হওয়ার প্রধান কারণ।
২) সম্পূর্ণ উন্মোচিত স্তনের চেয়েও তার আভাস অনেক বেশি আকর্ষণীয়। মনস্তত্ত্ববিদেরা বলেন, এই পুরোটা না দেখতে পাওয়াই তীব্র আকাঙ্ক্ষা তৈরি করে মানুষের মধ্যে, ছেলেমেয়ে নির্বিশেষে।
৩) গঠনগত দিক থেকে মেয়েদের স্তন প্রকৃতপক্ষেই সুন্দর। পুরুষ ও নারী, দু’জনের শারীরিক গড়ন যদি দেখা যায়, তবে সৌন্দর্যের দিক থেকে সবচেয়ে এগিয়ে রয়েছে মেয়েদের শরীরের এই অঙ্গই।
৪) স্তন হল প্রজনন এবং সন্তানপালনের একটি প্রধান অংশ। স্তনকে জীবনের আধার বলা যায়। নিছক যৌনতা নয়, এই সুন্দর অনুভবের জন্যেও মেয়েদের বক্ষস্থলের প্রতি আকর্ষণ তৈরি হয়।
৫) মনস্তত্ত্ববিদেরা বলেন, মানুষের স্বাভাবিক প্রবৃত্তিই হল নরম ও সুন্দর জিনিসের প্রতি আকৃষ্ট হওয়া। স্তন যেমন সুন্দর, তেমনই কোমল। এই কোমলতাই স্তনের প্রতি আকর্ষণের জন্ম দেয়।
বিষয়টি সম্পর্কে কিছুই জানেন না পরীমনি
ধারা মাল্টিমিডিয়ার কর্ণধার আবুল হোসেন মজুমদার। কয়েক বছর আগে ‘মন্ত্রীর বিয়ে’ নামে একটি চলচ্চিত্র প্রযোজনার ঘোষণা দেন। পরিচালক হিসেবে নাম বলা হয় জি সরকারের। গত বছর ডিসেম্বরেই মহরতের মাধ্যমে ছবিটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা আর হয়নি।
সেই ছবি নির্মাণ হয়নি এখনো। কয়েক বছর থেকে চলছে ছবিটির অভিনেতা অভিনেত্রী নির্বাচনের কাজ। সম্প্রতি শোনা যায় এই ছবিতে ‘মন্ত্রী’র স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করবেন নায়িকা পরীমনি। কিন্তু বিষয়টি সম্পর্কে নাকি কিছুই জানেন না তিনি।
পরীমনি বলেন, আমার ছবির খবর আমিই জানি না। ব্যাপারটা কেমন হল না! আমি কোন ছবিতে অভিনয় করছি সেই খবর আমি জানার আগেই যদি অন্য মানুষ জানে তাহলে তো আমি ধরে নিতেই পারি কেউ নিজেকে আলোচনায় আনার জন্য এমন খবর ছড়াচ্ছে।
তিনি বলেন, কোনো এক মন্ত্রীর বউয়ের চরিত্রে নাকি আমি অভিনয় করছি, সকাল থেকেই এমনটা জানতে চাইছেন অনেকে। এমন খবর অবশ্য দুই বছর ধরেই শুনছি।
তবে প্রযোজক আবুল হোসেন আশা প্রকাশ করে বলেন, ফেব্রুয়ারি মাসেই কাজ শুরু হতে পারে এই ছবিটির।
