
বাংলাদেশের ৪৮ রানের হার
৪০ ওভার শেষে অস্ট্রেলিয়ার তুলনায় বাংলাদেশ পিছিয়ে ছিল কেবল ৫ রানে। শেষ ১০ ওভারে বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা যে ঝড় তুলেছিল মাশরাফি বিন মুর্তজার দল দিতে পারেনি তার জবাব। মুশফিকুর রহিমের দারুণ সেঞ্চুরির পরও তাই বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের কাছে হারল ৪৮ রানে।
ম্যাচের শেষ বলে মাশরাফি বিন মুর্তজাকে ফিরিয়ে নিজের দ্বিতীয় উইকেট নেন স্টয়নিস। বাংলাদেশ ৮ উইকেটে থামে ৩৩৩ রানে। ওয়ানডেতে এটাই তাদের সর্বোচ্চ। এই আসরেই দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৬ উইকেটে ৩৩০ ছিল আগের সেরা।
মাশরাফি যা বলেনঃ
বোলিংয়ে আমরা ৪০-৫০ রান বেশী দিয়ে ফেলেছি, যা আমাদের ম্যাচ হারার মূল কারন। যদি ৩৪০-৫০ টার্গেট থাকত তাহলে আমরা জিততেও পারতাম। আমি ক্রেডিট দিয়ে চাই ওয়য়ার্নার এবং অস্ট্রেলিয়ার ব্যাটসম্যানদের। আমি মনে করি এটা আমাদের সেরা দল, আমাদের সাথে আরও কিছু নতুন প্লেয়ার আছে। আমরা শুরু থেকেই জয়ের জন্য খেলেছি, আজ আমাদের ভাগ্য কাজে দেয় নি। শুরুতেই সৌম্যর রান আউট আমাদের পিছনে ফেলে দেয়। সাকিব তামিম দুর্দান্ত খেলেছে, শেষ দিকে রিয়াদ মুশি অসাধারন ছিল। আসলে ৩৮০ টার্গেটে জেতা খুব কঠিন। এখন আমাদের সব ম্যাচ জেতার লক্ষ্য , আশা করি ভাল করব।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
অস্ট্রেলিয়া: ৫০ ওভারে ৩৮১/৫ (ফিঞ্চ ৫৩, ওয়ার্নার ১৬৬, খাওয়াজা ৮৯, ম্যাক্সওয়েল ৩২, স্টয়নিস ১৭*, স্মিথ ১, কেয়ারি ১১*; মাশরাফি ৮-০-৫৬-০, মুস্তাফিজ ৯-০-৬৯-১, সাকিব ৬-০-৫০-০, রুবেল ৯-০-৮৩-০, মিরাজ ১০-০-৫৯-০, সৌম্য ৮-০-৫৮-৩)।
বাংলাদেশ: ৫০ ওভারে ৩৩৩/৮ (তামিম ৬২, সৌম্য ১০, সাকিব ৪১, মুশফিক ১০২*, লিটন ২০, মাহমুদউল্লাহ ৬৯, সাব্বির ০, মিরাজ ৬, মাশরাফি ৬; স্টার্ক ১০-০-৫৫-২, কামিন্স ১০-০-৬৫-০, ম্যাক্সওয়েল ৩-০-২৫-০, কোল্টার-নাইল ১০-০-৫৮-২, স্টয়নিস ৮-০-৫৪-২, জ্যাম্পা ৯-০-৬৮-১)।
ফল: অস্ট্রেলিয়া ৪৮ রানে জয়ী
