প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজ ৬৪ ওভার ব্যাটিং করে। যাতে সর্বোচ্চ তাইজুল ইসলাম হাত ঘোরান ২০ ওভার। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ওভার বোলিং করেন মিরাজ (১৫), তৃতীয়তে নাঈম। অভিষিক্ত এই স্পিনার ১৪ ওভার বোলিং করে ৫ উইকেট তুলে নেন। অন্যদিকে ক্যাপ্টেন সাকিব আল হাসানও করেন ১১ ওভার। আর মোস্তাফিজ-রিয়াদ মিলে করেন চার ওভার।
অন্যদিকে দ্বিতীয় ইনিংসে মোটে ৩৫.২ ওভার ব্যাটিং করে সফরকারী ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ওভারের সংখ্যা কম। তাই সাকিব (৭) -নাঈম (৭) -মেহেদী মিরাজের (৮ ওভার) ভাগে পড়ে ২২ ওভার। আর মোস্তাফিজের ভাগে পড়ে মাত্র দুই ওভার।
দেশের নাম্বার ওয়ান পেসার হয়েও কেন মাত্র ৪ ওভার বোলিংয়েল সুযোগ দেয়া হলো মোস্তাফিজকে? কারণ প্রথম ইনিংসের দুই ওভারের বিপরীতে মাত্র ৪ রান খরচ করেন তিনি। অন্যদিকে দ্বিতীয় ইনিংসে খরচ করেন মাত্র ১১ রান। অর্থাৎ চট্টগ্রামরে জহুর আহমেদ স্টেডিয়ামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সিরিজের প্রথম টেস্টে চার ওভারের বিনিময়ে ১৫। অর্থাৎ আহামরি রান না খরচা করেও বঞ্চিত থাকতে হল তাকে।
টানা তিনদের ম্যাচটি যদি পাঁচদিনে গড়ালেও হয়তো একই পরিণতি ঘটতো মোস্তাফিজে। সাগরিকার স্পিন বান্ধব উইকেটে ফিজকে থাকতে হতো কাচের পুতুল হয়ে।
