মার্কিন নির্বাচনের আগে উর্ধমুখী সোনার বাজার

স্বর্ণ ও ডলারের দামের ওপর বড় ধরনের প্রভাব ফেলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। এ বছরও এরই মধ্যে এই প্রভাব দেখা যাচ্ছে বিশ্ববাজারে। এরই মধ্যে আগামী মাসে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া প্রেসিডেন্ট নির্বাচন জরিপে জো বাইডেন

এগিয়ে থাকার খবরে পতন ঘটেছে ডলারের। গত তিন সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন অবস্থানে রয়েছে ডলার। শুক্রবার (০৯ অক্টোবর) আন্তর্জাতিক বাজারে ডলারের এ পতন দেখা যায়। তবে, আবারও লাগাতার বাড়ছে সোনার দাম। বরাবরই

বিনিয়োগের নিরাপদ মাধ্যম হওয়ায় ব্যবসা-বাণিজ্যের অন্যান্য খাতে স্থবরিতা নেমে এলে বিনিয়োগের নিরাপদ মাধ্যম সোনায় অর্থলগ্নি বাড়ে ব্যক্তিগত বা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে।

বাজারে লাগাতার বাড়তে বাড়তে তিন দিনে এক আউন্স সোনার দাম বেড়েছে ৬০ ডলার। বাজার তথ্যে দেখা যাচ্ছে, গেল ৬ অক্টোবর বাজারে বড় ধরনের পতনের পর টানা উর্ধমুখী প্রবণতায় রয়েছে সোনার দাম। যুক্তরাষ্ট্র সময় ৯ অক্টোবর

দুপুরে (বাংলাদেশ সময় ১০ অক্টোবর মধ্যরাত) বিশ্ববাজারে প্রতি আউন্স সোনা বিক্রি হচ্ছে ১৯২৯.৪৭ ডলারে। যা আগের দিনের সবশেষ দামের চেয়ে ৩৪.৩৫ ডলার বেশি।

আন্তর্জাতিক বাজারে সোনা বেচাকেনার তথ্যে দেখা যায়, ৮ অক্টোবরও দামের উর্ধমুখী প্রবণতায় থেমেছে সোনার বাজার। এদিন, প্রতি আউন্স সোনার সবশেষ দাম ছিল ১৮৯৫.১২ ডলার, আগের দিনে চেয়ে ৭.৬৯ ডলার বেশি। এর আগের দিনও (৭ অক্টোবর) বেড়েছে সোনার দাম। এদিন, প্রতি আউন্স সোনার দাম ১১.৭১ ডলার বেড়ে দিন শেষ হয়

১৮৮৭.৪৩ ডলারে। তিন দিন ধরে সোনার দাম লাগাতার বাড়তে থাকলেও এর আগে অর্থাৎ গেল ৬ অক্টোবর বাজারে

সোনার দামের বড় ধরনের পতন হয়েছিল। দিনব্যাপী ওঠানামার মধ্যে লেনদেন শেষে এদিন এক আউন্স সোনার দাম পড়ে যায় ৩৬.৮৮ ডলার; এক আউন্স সোনার দাম দাঁড়ায় ১৮৭৫.৭২ ডলারে।

বাজারের দিন ভিত্তিক তথ্যে দেখা যায়, সোনার দাম বৃদ্ধিতেই চলতি মাসের শুরু হলেও ২ অক্টোবরই আবার পতনের মুখে পড়ে সোনার দর। ১লা অক্টোবর প্রতি আউন্স সোনার দাম ১৮৮৫.৬৮ ডলার থেকে দাম বাড়তে বাড়তে দাঁড়ায় ১৯০৪.২১ ডলারে। আর ২ অক্টোবর দাম আবার নেমে আসে ১৮৯৯.৫৮ ডলারে।

আন্তর্জাতিক বাজার বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস রয়েছে করো;নাভা;ইরা;সের টিকা খুব দ্রুত বাজার না আসায় চলতি বছরই প্রতি আউন্স সোনার দাম ছাড়িয়ে যেতে পারে ২১শ’ ডলার। কারণ হিসেবে তাদের যুক্তি, করোনার কারণে স্থবির অর্থনীতির মধ্যে বিনিয়োগের নিরাপদ মাধ্যমে ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিকভাবে স্বর্ণে বিনিয়োগ বাড়ছে এবং তা আগামীতে আরও বাড়বে। আর এতেই দাম বাড়বে মূল্যবান এই ধাতুটির।

*১ আউন্স = ২.৪৩ ভর