পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে শুরু হয়েছে উল্লাস। তৃতীয়বার জয়ের দিকে তারা এগিয়ে গিয়েছেন, এই ধরে নিয়েই আনন্দে গা ভাসিয়েছে তৃণমূল দলের সমর্থকরা। কিন্তু এই বাঁধ ভাঙা উচ্ছাসের মাঝে হারিয়ে যাচ্ছে করোনা বিধি। মাস্ক নেই, দূরত্ব বিধি তো নেই। চলছে আবির খেলা, খেলা হবে গান চালিয়ে নাচ, রসগোল্লা খাওয়ানো চলছে।
এই প্রসঙ্গে তৃণমূল নেতা কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘আমরা সবাইকে বলব দ্রুত যেন বাড়ি চলে যাওয়া হয়। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হয়ে মানুষের আবেগকে আটকে রাখা শক্ত। আমরা সেটা চেষ্টা করছি। এই উচ্ছাস বাইরে থেকে নেতাদের নিয়ে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কুৎসার উচ্ছাস’।
রবিবার (২ মে) রাজ্যের ২৯৪ আসনের মধ্যে ২৯২টি আসনের ভোট গণনা হচ্ছে।এর মধ্যে বেসরকারি ফলাফলে তৃণমূল পেয়েছে ২০৭ আসন। আর ৮১টি আসনে বিজেপি জয় লাভ করেছে। দুই কেন্দ্রের প্রার্থী করোনা আক্রান্ত হয়ে মারা গিয়েছেন। তাই ওই দুই কেন্দ্রের ভোট গণনা হচ্ছে না।
অপরদিকে নন্দীগ্রামে এখনও সাড়ে ৭ হাজার ভোটে পিছিয়ে আছেন মমতা বন্দোপাধ্যায়। তবে মমতার বাড়ি ভবানীপুর কেন্দ্রে বিদ্যুৎমন্ত্রী শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় প্রায় ২০ হাজার ভোটে এগিয়ে আছেন বিজেপি প্রার্থী অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষের চেয়ে।
এদিকে করোনার জন্য এবার প্রচুর বিধি নিষেধ রয়েছে। আগে ইভিএম স্যানিটাইজ করা হয়। নেওয়া হয় প্রার্থী ও যারা ভোট গণনা করছেন তাদের করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট। তারপর তাদের কাজ করতে দেওয়া হয়। ২৩টি জেলায় তৈরি করা হয়েছে ১০৮টি ভোট গণনা কেন্দ্র।
আজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, শুভেন্দু অধিকারীর লড়াইয়ের দিকে সবথেকে বেশি নজর থাকছে। তবে আরও অনেক হেভিওয়েট প্রার্থীরাও থাকছেন যারা আজ তাদের লড়াইয়ের ফল আজ জানবেন।
