বিএনপি থেকে মনোয়ন না পেয়ে দল থেকে পদত্যাগ করেছেন সংগীতশিল্পী মনির খান। সহশিল্পী মনির খানের পদত্যাগ নিয়ে দেশের শীর্ষ অনলাইন গনমাধ্যম চ্যানেলআইয়ের সাথে খোলামেলা কথা বলছেন তারই সাবেক দলীয় নেত্রী জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কনকচাঁপা।
তিনি বলেন, মনির খানতো আমার সহশিল্পী। আমরা একসঙ্গে প্রচুর কাজ করেছি। উনি এবার নির্বাচন করছেন, এটা আমাদের শিল্পীদের জন্য আনন্দের খবর ছিলো। কিন্তু শেষ সময়ে তাকে দল মনোনয়ন না দেয়ায় শিল্পী হিসেবে আমিও কষ্ট পেয়েছি। কিন্তু দল কী কারণে শেষ সময়ে এসে এমন সিদ্ধান্ত নিলো, এটা আমি জানি না। এটা নীতি নির্ধারক যারা আছেন, তারাই ভালো বুঝেন। সেই জায়গা নিয়ে আমি মন্তব্যও করতে চাই না। কারণ সেটা বড়দের জায়গা। ওই বিষয় নিয়ে বলতেও পারবো না।
অবশ্যই, মনির খান একজন পরিশ্রমী নেতা ছিলেন। আমি নিজেও মনে প্রাণে চাইছিলাম সে নির্বাচন করুক। মনির খান একজন সত্যিকারের নেতা হওয়ার মতোই পার্সোনালিটি। মানুষ তাকে এতো ভালোবাসে, তার কথা এতো মনযোগ দিয়ে শোনে, সেটা বলার মতো না। মনির খান রাস্তায় হাত তুলে দাঁড়ালেও হাজার লোক জড়ো হয়ে যায়, শুধু তার কথা শোনার জন্য। তিনি অসম্ভব ভালো একজন মানুষ, এবং বোল্ড একজন নেতা। নেতা হওয়ার যে গুণ, তার উপস্থিতিতে একশো ভাগই ছিলো।
হ্যাঁ, কিন্তু দল থেকে রিজাইন না দিলেও পারতেন মনির ভাই। আসলে এটা তিনি অভিমান থেকেই করেছেন বলেই ব্যক্তিগতভাবে আমার মনে হয়। আসলে বহুদিন ধরে তিনি দলের সাথে আছেন। নানা ত্যাগ তিতিক্ষার মধ্য দিয়ে রাজনীতি করেছেন। বহুদিন ধরে মাঠও গুছিয়ে নিচ্ছিলেন তিনি। আর শিল্পী হিসেবেওতো তিনি বেশ জনপ্রিয়।
রাজনীতিবিদদের যেমন আগে মাঠ গুছাতে হয়, তারপর জনপ্রিয় হতে হয়; আর শিল্পীদের ক্ষেত্রে জনপ্রিয়তাটাতো আগে থেকেই তৈরি হয়ে থাকে। এটা তাদের জন্য অ্যাডভানটেজ। আমার ক্ষেত্রেও যেমনটা হচ্ছে। কিন্তু মনির ভাইতো শিল্পী হিসেবে যেমন জনপ্রিয় ছিলেন, তেমনি বহুদিন ধরে তৃণমূল নেতাদের সঙ্গেও তার উঠাবসা ছিলো। তারপরও কেন তাকে দেয়া হলো না, সেটা দলই ভালো বলতে পারবে। দলের ভালো মন্দটাতো নিশ্চয় নীতি নির্ধারকরাই ভালো বুঝেন।
