ব্রিটিশ রাজপরিবারের ভ’য়ংকর তথ্য ফাঁ’স করলেন মেগান

ব্রিটিশ রাজপরিবারের ছোট পুত্রবধূ মেগান মর্কেল যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় উপস্থাপিকা অপরাহ উইনফ্রের স’ঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে এমন কিছু কথা বলেছেন তাতে রাজপরিবারের ভেতরের বর্ণবাদী চরিত্র গণমাধ্যমের সামনে চলে এসেছে।

মর্কেল জা’নিয়েছে, ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্যরা তার সন্তানের শ’রীরের ত্বক ঠিক কতটা কালো হবে, তা নিয়ে চিন্তিত ছিলেন। দে’খতে কালো হওয়ায় তার সন্তানকে ‘প্রিন্স’ বা ‘রাজপুত্র’ উপাধি দেওয়া হয়নি বলেও অ’ভিযোগ করেন মর্কেল। রোববার (৭ মা’র্চ) রাতে মা’র্কিন টেলিভিশন চ্যানেল সিবিএসে তার এই সাক্ষাৎকার প্র’চার করা হয়।

সাক্ষাৎকারে মেগান মর্কেল বলেন, ‘তার সন্তান আর্চি জ’ন্ম নেওয়ার আগেই তার গায়ের রং ঠিক কতটা কালো হবে, তা নিয়ে চিন্তিত ছিলেন ব্রিটিশ রাজপরিবারের সদস্যরা। আর তাদের এই ‘দু’শ্চিন্তাই’ স্পষ্ট করে দেয় যে, তার ছেলেকে কেন প্রিন্স উপাধি দেওয়া হয়নি।

মেগান বলেন, বিয়ের পর রাজপরিবারের কারও কাছ থেকে কোনো ধ’রনের সাহায্য বা সহযোগিতা না পেয়ে নিজে’র ক্ষ’তি করার, এমনকি আত্মহ’ত্যা করার কথাও চিন্তা ক’রতে শুরু করেন তিনি।

সাক্ষাৎকারে মেগান বলেন, ‘আমা’র সন্তান আসার পর তারা কেউই তাকে প্রিন্স বা প্রিন্সেস হিসেবে স্বীকৃতি দিতে চাচ্ছিলেন না। এমনকি ছেলে হবে না মেয়ে; রাজপরিবারের কেউ এটাও জানতেন না।

এতেই আমি বুঝতে পারি- জ’ন্মের পর আমা’র সন্তান নি’রাপত্তা পেতে যাচ্ছে না। তবে কারা এ ধ’রনের কথা’বা র্তা কারা বলেছে বা সন্তানের গায়ের রং নিয়ে উদ্বেগ কারা প্র’কাশ করেছে- সে বিষয়টি প্র’কাশ ক’রতে অস্বীকৃতি জা’নান মেগান।

২০২০ সালের জানুয়ারিতে হ্যারি-মেগান দম্পতি ব্রিটিশ রাজপরিবারের প্রতিনিধিত্ব আর না করার সিদ্ধা’ন্তের কথা জা’নান। স্বাধীন জীবনযাপন ক’রতে তারা রাজপরিবার থেকে বেরিয়ে যান। বর্তমানে এই দম্পতি যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়ায় বসবাস করছেন।