বিপিএল থেকে কি বাদ পড়ছে রাজশাহী,জেনেনিন

চট্টগ্রামে জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে বিপিএলে সন্ধ্যার ম্যাচে রাজশাহী কিংসকে ৬ উইকেটের ব্যবধানে হারিয়ে নিজেদের ৭ম জয় তুলে নিয়েছে মাশরাফির রংপুর। এর ফলে ১১ ম্যাচ শেষে ১৪ পয়েন্ট ও সর্বাধিক নেট রান রেটে এগিয়ে থেকে পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষে উঠে কোয়ালিফায়ার নিশ্চিত করল তারা।

অন্যদিকে ১১ ম্যাচ শেষে ৫ জয়ে ১০ পয়েন্ট ও রান রেটে বহুগুন পিছিয়ে থেকে বাদ পড়তে চলেছে মিরাজের রাজশাহী কিংস। তাদের শেষ ম্যাচ শুধু জিতলেই চলবে না -০.৬৩৪ রান রেটকে বিশাল ব্যবধানে জিতে ভালো অবস্থানে নিতে হবে।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লীগে (বিপিএল) আজকের সন্ধ্যার ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছে রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে আগে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৮ উইকেট হারিয়ে ১৪১ রান সংগ্রহ করে রাজশাহী কিংস।

মাঝারি লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই গেইলকে হারিয়ে বিপদে পড়ে রংপুর। গেইল ১০ রান করে মেহেদী হাসান মিরাজের বলে সৌম্য সরকারের হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়েছেন।

ভালো শুরুর পর হেলস মাত্র ১৬ রান করে কাইস আহমেদের বলে বোল্ড হয়ে আউট হয়েছেন। অবশ্য হেলস ফিরে গেলেও দলকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যান রুশো ও ভিলিয়ার্স।

এই ম্যাচের শুরুতে টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেন রাজশাহী কিংস দলপতি মেহেদী হাসান মিরাজ। ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি রাজশাহীর। জনসন চার্লস মাত্র ১২ রান করে ফরহাদ রেজার বলে মাশরাফির হাতে ক্যাচ দিয়ে আউট হয়েছেন।

বেশিক্ষণ টিকতে পারননি মমিনুল হকও। তিনি ৪ রান করে ফিরে গেছেন নাহিদুলের বলে বোল্ড হয়ে। সৌম্য সরকার ভালো শুরু পেয়েও ইনিংস লম্বা করতে ব্যর্থ হয়েছেন ১৪ রান করে রুশোর হাতে ক্যাচ দিয়ে তিনি শহিদুলের দ্বিতীয় শিকার হয়েছেন।

মিরাজ ফিরেছেন ৬ রান করে নাজমুল ইসলামের বলে বোল্ড হয়ে। ইভান্স শুরু থেকে দেখেশুনে খেলে বড় ইনিংস খেলার ইঙ্গিত দিয়েছিলেন। তবে ৩৫ রান করে শহিদুলের বলে নাহিদুলের হাতে ক্যাচ দিলে তাঁর এই ইনিংসের সমাপ্তি ঘটে।

জোনকারও নামের প্রতি সুবিচার করতে পারেননি। তিনি ১৬ রান করে নাজমুলের বলে ক্যাচ দিয়েছেন মেহেদী মারুফের হাতে। শেষ দিকে ফজলে রাব্বি ১৮ ও কাইস ২২ রান করে ফরহাদ রেজার শিকার হলে বড় সংগ্রহ গড়তে ব্যর্থ হয় রাজশহী।

শেষ পর্যন্ত ১ রান করে আরাফাত সানি ও ৪ রান করে মুস্তাফিজ অপরাজিত ছিলেন।

রংপুর রাইডার্সের একাদশ: ক্রিস গেইল, অ্যালেক্স হেলস, রাইলে রুশো, এবি ডি ভিলিয়ার্স, মোহাম্মদ মিথুন (উইকেটরক্ষক), নাহিদুল ইসলাম, মাশরাফি বিন মুর্তজা (অধিনায়ক), নাজমুল ইসলাম, ফরহাদ রেজা, শফিউল ইসলাম, শহীদুল ইসলাম।

রাজশাহী কিংসের একাদশ: জেসন চার্লস, সৌম্য সরকার, লরি ইভান্স, ক্রিস্টিয়ান জঙ্কার, ফজলে মাহমুদ, মুমিনুল হক, মেহেদি হাসান মিরাজ (অধিনায়ক), আরাফাত সানী, কাইস আহমেদ, কামরুল ইসলাম রাব্বি ও মোস্তাফিজুর রহমান।