রবিবার (৩০ জুন) বার্মিংহামে ভারত বনাম ইংল্যান্ডের ম্যাচের দিতে তাকিয়ে ছিল পুরো ক্রিকেটবিশ্ব।
এক ম্যাচকে ঘিরেই ঝুলে ছিল ৫ দলের সেমিফাইনালে যাওয়ার ভাগ্য। সে দৌড়ে ছিল বাংলাদেশ, পাকিস্তান, ইংল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলংকা।
সেমিফাইনাল সমীকরণ সহজ করার জন্য ইংল্যান্ডের হার প্রার্থণা করছিল পাকিস্তান, বাংলাদেশ, নিউজিল্যান্ড ও শ্রীলংকা।
ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ম্যাচ শুরুর আগে ভারত অধিনায়ক কোহলি বলেছিলেন, ‘আমি জানি আজ পাকিস্তান সমর্থকরাও আমাদের সমর্থন করছে। আর ক্রিকেটে পাকিস্তানের সমর্থণ পাওয়া ভারতের জন্য খুবই বিরল একটি বিষয়।’
তবে এমন একটি ম্যাচেই ইংল্যান্ডের বিপক্ষে মুখ থুবড়ে পড়েছে ভারতের কচ্ছপ গতির ব্যাটিং। রোহিত শর্মার সেঞ্চুরিতেও ৫০ ওভার শেষে ৫ উইকেট হাতে রেখেও ইংল্যান্ডের ৩৩৮ রানের টার্গেট টপকাতে পারেনি ভারত।
ভারতের এই হারের পর পাক কিংবদন্তী পেসার শোয়েব আখতার মনে করেন, বাংলাদেশ-পাকিস্তানসহ বাকি দেশগুলোর দোয়া পৌছায়নি হিন্দুস্তান পর্যন্ত।
নিজের অফিসিয়িাল ইউটিউব পেইজে এক ভিডিও বার্তায় শোয়েব বলেন, ‘প্রথমবারের মতো আজ ভারতের সমর্থন করছিল পাকিস্তানের জার্সি পড়িহিত সর্মথকরাও। শুধু পাকিস্তানই নয় বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কান সর্মথকদেরও ঠিক একই চিত্র ছিল। তবে আমার মনে হয় সেই দোয়া হিন্দস্তান পর্যন্ত পৌছায়নি। ইংল্যান্ডের বিপক্ষে জয় তুলে নিতে পারল না ভারত।’
পুরো ম্যাচের পোস্টমর্টেম করে শোয়েব বলেন, ‘আমার মনে হয় ভারত বোলিংয়ে আরও ৩০ রান কম খরচ করতে পারতো। তাদের ব্যাটিংয়ের শেষদিকেও প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। সেটা কেবল আমার চোখে নয়, ধারাভাষ্যকক্ষে অবস্থান করা সৌরভ গাঙ্গু***, নাসির হুসেনরাও ধোনি-যাদবের শেষদিকের ব্যাটিংয়ের কোনো ব্যাখা দিতে পারেননি।’
‘আমি মনে করি রিশাব পান্ত কিংবা ধোনির আজকের ম্যাচের হিরো হওয়ার সুযোগ ছিল। আর ভারতের আজকের ম্যাচের যেই হিরো হতো সে কেবল ভারত নয়, পাকিস্তান-বাংলাদেশের চোখেও হিরো হয়ে যেতো। তবে, দূর্ভাগ্য! তেমনটা হয়নি।’
