ব্যাপক দূর্নীতির অ’ভিযোগে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ডের সদস্যপদ বাতিল করলো ক্রিকে’টের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা আইসিসি৷
এখন থেকে আর কোন আইসিসি ইভেন্টে অংশ নিতে পারবেনা জিম্বাবুয়ে।
অথচ এই জিম্বাবুয়েই দুই দশক আগে ছিল ক্রিকেট বিশ্বে অন্যতম পরাশক্তি। এমনকি বাংলাদেশের ক্রিকেট যাত্রার শুরুর দিকে পরম বন্ধু। অন্য বড় দলগুলো যখন বাংলাদেশের সাথে খেলতে রাজি হত না তখন এই জিম্বাবুয়ে খেলে গেছে বাংলাদেশের সাথে। বাংলাদেশের এই ক্রিকেট উত্থানের পিছনে অনেক বড় অবদান আছে এই জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ডের।
উল্লেখ্য, আইসিসি থেকে বলা হয়েছে জিম্বাবুয়ে বোর্ড আইসিসির ২.৪ ধারা লঙ্ঘন করেছে যেখানে স্পষ্ট বলা হয়েছে ক্রিকেট’কে রাজনীতি থেকে আলাদা রাখতে হবে এমন সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে বোর্ডের মেম্বার নির্বাচন করতে হবে।
এদিকে জিম্বাবুয়ে ক্রিকেট বোর্ডের নির্বাচনে সরকারি হস্তক্ষেপের অ’ভিযোগে দেশটির আইসিসি সদস্যপদ বাতিল করেছে আইসিসির আজকের সভায়। আর এই বাতিল করার কারনে এ সময় আইসিসি থেকে অর্থ সহায়তা পাবে না জিম্বাবুয়ে। একই সঙ্গে আইসিসির কোনো ইভেন্টেও অংশগ্রহণ করতে পারবে না দেশটি।
আইসিসি চেয়ারম্যান শশাঙ্ক মনোহর বলেন, ” আম’রা কোন সদস্যকে বহিঃষ্কার করতে চাইনা তবে আম’রা আমাদের খেলাটাকে রাজনীতি থেকে দূরে রাখতে চাই৷ জিম্বাবুয়েতে যা হয়েছে তা আমাদের আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন এটা আম’রা চলতে দিতে পারিনা”।
এছাড়া আগামী তিনমাসের মধ্যে স্বাধীন ও গণতান্ত্রিক উপায়ে বোর্ডের নির্বাচন সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে আইসিসি। অক্টোবরে আইসিসির পরবর্তী সভায় আবারো এ বিষয়ে আলোচনা করা হবে।
এর আগেও জিম্বাবুয়ের ক্রিকেট বোর্ডের বি’রুদ্ধে দুর্নিতীর অনেক বড় অ’ভিযোগ উঠেছিল। আইসিসি থেকে তাদের নেয়া ৩০ মিলিয়ন ডলারের কোন হিসাব তারা দিতে পারেনি।
এছাড়া আইসিসির সদস্যপদের ক্রাইটেরিয়া না মানায় ক্রোয়েশিয়া ও জাম্বিয়া ক্রিকেট বোর্ডের সদস্যপদও বাতিল করা হয়।
