মিরপুরে প্রথম ওয়ানডেতে বাংলাদেশকে ছোট লক্ষ্য ছুড়ে দিল ওয়েস্ট ইন্ডিজ। মাশরাফি-মুস্তাফিজের বিধ্বংসী বোলিংয়ে দাড়াতেই পারেনি ক্যারবীয় ব্যাটসম্যানরা। নিজের ২০০তম ম্যাচে বল হাতে উজ্জল ছিলেন মাশরাফি। ১০ ওভারে ৩০ রান খরচে ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি। এছাড়া মুস্তাফিজও পেয়েছে ৩টি উইকেট।
ক্যারবীয়দের বিপক্ষে টসে হেরে বোলিংয়ের শুরুতেই দুই স্পিনার দিয়ে দুই প্রান্ত থেকে আক্রমন শুরু করেন মাশরাফি। ম্যাচের ৮ম ওভারে প্রথম উইকেটে আঘাত হানেন সাকিব। পাওয়েলকে ১০ রানেই ক্যাচ আউটের ফাঁদে ফেলেন তিনি।
ম্যাচের ১৬তম ওভারে একটি সুযোগ তৈরি করেছিল মুস্তাফিজ। কিন্তু সেই সুযোগ থেকে কোনো ফায়দা আদায় করতে পারেনি টাইগাররা। মুস্তাফিজের বলে ব্রাভোর শটটি সরাসরি চলে যায় আরিফুল হকের হাতে। কিন্তু হাতের ক্যাচটি মিস করে ব্রাভোকে নতুন জীবন দেন আরিফুল।
মুস্তাফিজের পর আবারো রুবেলে বলে মুশফিকের হাতে ক্যাচ তুলে দেন ব্রাভো। কিন্তু এবারও ক্যাচ মিস করনে মুশফিক। যার ফলে ১৪ রানে ও ১৯ রানে পরপর ২ বার নতুন জীবন পান ব্রাভো।
আরিফুল-মুশফিকের ভূলটা আর ৩য় বারের মতো করলেন না তামিম। মাশরাফির বলে কাভারের উপর দিয়ে উড়িয়ে মারা ব্রাভোর শটটি হাওয়ায় ভেসে ক্যাচে পরিণিত করেন তামিম। ব্রাভো ফিরে যান ১৯ রান করেই।
এরপর ভয়ংকর হয়ে উঠতে থাকা হোপের উইকেটও শিকার করেন টাইগার অধিনায়ক। মাশরাফির পর হেটমায়ারকে সরাসরি বোল্ড করেন মিরাজ। সেই অনুর্ধ্ব ১৯ বিশ্বকাপের পর থেকে এই নিয়ে কয়েকবার হেটমায়ারকে শিকার করলেন মিরাজ।
ম্যাচের ৩২ তম ওভারে সাকিবের লং অনে একটি সহজ ক্যাচ মিস করেন রুবেল। সহজ ক্যাচটি হাত ফঁসকে পড়ে যায় রুবেলের। এই নিয়ে এক ম্যাচে এ পর্যন্ত ৩ ক্যাচ মিস করল টাইগাররা।
নিজের ২য় স্পেলে এসে আবারো উইকেটের আঘাত হানেন মাশরাফি। তুলে নেন নিজের ৩য় ও ম্যাচের ৫ম উইকেট। এ পর্যন্ত ৮ ওভার করে মাত্র ১৬ রান খরচে ৩ উইকেট নিয়েছেন তিনি।
তামিমের পর রুবেলের বলে বাউন্ডারি থেকে অসাধারন একটি ক্যাচে স্যামুয়েলসকে ফেরান লিটন। এরপর দলীয় ৭ম উইকেটের আঘাত হানেন মুস্তাফিজ। ৩২ রান করে ফিজের শিকার হন চেজ।
শেষ পর্যন্ত ৫০ ওভার শেষে ১৯৫ রানের পুঁজি পায় উইন্ডিজ। জয়ের জন্য বাংলাদেশের টার্গেট ১৯৬ রান।
