আগে ব্যাটিং করে সিলেট ১৮৯ রানের বিশাল লক্ষ্য দাঁড় করানোর পর মনে হচ্ছিলো হয়তো সহজ জয়ই পাবে তারা। রান তাড়া করতে নেমে শুরুটা ভালো হয়নি রাজশাহীরও। তবে চতুর্থ উইকেট জুটিতে সবকিছু বদলে দেন লরি ইভানস এবং রায়ান টেন ডেসকাট।
হাত থেকে ছিটকে যেতে থাকা ম্যাচে দুজন মিলে মাত্র ৪৫ বলে গড়েন ১০৯ রানের জুটি। ইভানস ৩৬ বলে ৭৬ এবং ডেসকাট ১৮ বলে ৪২ রানের ঝড় তুললে পাক্কা ২ ওভার হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় রাজশাহী কিংস।
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারেই সাজঘরের পথ ধরেন ওপেনার জাকির হাসান। তবে অন্য প্রান্তে সাবলীল ব্যাটিং করতে থাকেন ক্যারিবিয়ান জনসন চার্লস। যে কারণে তিনে নামা শাহরিয়ার নাফিস ব্যাটে-বলে ঠিকঠাক করতে না পারলেও রানরেটটা কখনোই কমেনি রাজশাহীর।
সপ্তম ওভারের শেষ বলে অলক কাপালির প্রথম শিকার হয়ে আউট হওয়ার আগে নাফিস ১৩ বল থেকে করেন ৯ রান। নিজের পরের ওভারেই চার্লসকেও ফেরান সিলেট অধিনায়ক কাপালি। আউট হওয়ার আগে ২৬ বলে ৭ চারের মারে ৩৯ রান করেন চার্লস।

শেষ পাঁচ ওভারে জয়ের জন্য যখন প্রয়োজন ৪১ রান, তখন মোহাম্মদ নওয়াজের করা ওভার থেকেই একাই ২৪ রান নেন লরি ইভানস। সে ওভার শেষেই মূলত নিশ্চিত হয়ে যায় রাজশাহীর জয়।
১৭তম ওভারে আউট হন দুজনই। ১০ চার ও ২ ছক্কার মারে ৩৬ বল থেকে ৭৬ রান করেন ইভানস, ১৮ বলে ৪২ রান করার পথে ৩টি চারের সঙ্গে হাঁকান ২টি বিশাল ছক্কা। শেষদিকে ক্রিশ্চিয়ান জঙ্কার ৮ এবং সৌম্য সরকার ২ রানে অপরাজিত থেকে ম্যাচ জিতিয়ে ফেরেন।
এই ম্যাচ জয়ের ফলে প্লে অফের আশা চিকে রইল মিরাজদের। ম্যাচ শেষে রাজশাহী কিংস অধিনায়ক মিরাজ বলেন, ‘আমি মনে করি এটা খুবই দূর্দান্ত একটি ম্যাচ ছিল। ইভান্স এবং টেন ডোসকেট অসাধারণ ব্যাটিং করেছে। আমাদের ব্যাটিং লাইন আপ বেশ বড় ছিল। সে কারণ ব্যাটসম্যানদেরও বড় রানের টার্গেটে বেশ আত্মবিশ্বাস ছিল। এখানকার সর্মথকরা সত্যিই অসাধারণ। ধন্যবাদ জানাই তাদেরকে।
এসময় ‘প্লে-অফ’ প্রসঙ্গে কিছুই বলতে চাননি মিরাজ। উল্লেখ্য, রাজশাহীর প্লে-অফে যেতে হলে শেষ দুই ম্যাচ ঢাকাকে হারতে হবে।
