গত ২ অক্টোবর ভারতের মাদক নিয়ন্ত্রণ সংস্থার (এনসিবি) অভিযানে মুম্বাই থেকে গোয়াগামী এক প্রমোদতরীর মাদক পার্টি থেকে গ্রেপ্তার হন বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খানকে।
এই অভিযানের নেতৃত্বে ছিলেন এনসিবির মুম্বাই অঞ্চলের প্রধান কর্মকর্তা সমীর ওয়াংখেড়ে। তিনিই ছদ্দবেশে গিয়ে মাদকসহ হাতেনাতে ধরেন আরিয়ান ও তার বন্ধুদের। শাহরুখপুত্র আপাতত এনসিবির জেলে রয়েছেন। বুধবার তৃতীয় দফায় তার জামিন শুনানি হওয়ার কথা।
তবে শুধু আরিয়ান খান নয়, এক দশক আগে খোদ শাহরুখ খানকেও আইনি প্যাচে ফেলেছিলেন এই সমীর ওয়াংখেড়ে। সে সময় বিদেশে পরিবারের সঙ্গে ছুটি কাটিয়ে দেশে ফিরছিলেন কিং খান। কিন্তু বিমানবন্দরে পা রাখতেই ঘটে বিপত্তি।
ওই সময় শাহরুখকে আটকে দিয়েছিলেন শুল্ক বিভাগের কর্মকর্তারা। সমীর ওয়াংখেড়ে তখন শুল্ক বিভাগের ডেপুটি কালেক্টর। তিনি বিমানবন্দরে শাহরুখকে আটকে রেখে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। এতে বোঝা যায়, এক দশক আগে এবং পরে সমীর একই রকম একরোখা।
জানা যায়, হল্যান্ড এবং লন্ডন থেকে অতিরিক্ত কেনাকাটা করে ফেলেছিলেন শাহরুখ এবং তার পরিবার। ২০টি ব্যাগ বোঝাই করে জিনিসপত্র নিয়ে এসেছিলেন তারা। নিয়ম ভেঙে পার পাননি স্বয়ং শাহরুখও। দেড় লাখ টাকা জরিমানা দিতে হয়েছিল তাকে।
তাই শাহরুখ যেখানে ছাড় পাননি, তার ছেলে কীভাবে ছাড় পায়! তাইতো জেলে আরিয়ানের জন্য নেই বাড়তি কোনো সুবিধা। অন্য পাঁচজন অভিযুক্তের মতোই হাজতে দিন কাটছে তার। আপাতত তার জামিন পাওয়ার অপেক্ষায় বাবা শাহরুখ খান।
