বছরের শুরুতেই প্রাথমিকে নিয়োগ হবে ৬৫ হাজার ‘হিসাব রক্ষক’

‘হিসাবরক্ষক’ পদ সৃষ্টি করা হচ্ছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। এই প্রক্রিয়া শেষে সারা দেশে একসঙ্গে ৬৫ হাজার বিদ্যালয়ে হিসাবরক্ষক কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (উন্নয়ন) মো. গিয়াস উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘হিসাবরক্ষকের পদ সৃষ্টির নীতিগত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। প্রধান শিক্ষককে বিদ্যালয়ে পাঠদান ও তদারকিতে আরও সক্রিয় করতে একজন হিসাবরক্ষক থাকা প্রয়োজন। এ ব্যাপারে পরবর্তী করণীয় নির্ধারণ করা হবে।’

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের (ডিপিই) একাধিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে বিদ্যালয়ের সব ধরনের হিসাব সংরক্ষণ ও পরিচালনাসহ দাপ্তরিক কর্মকাণ্ড এককভাবে প্রধান শিক্ষককে করতে হয়।

এর বাইরে সরকারের নানা ধরনের নির্দেশনামূলক কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত থাকার কারণে প্রধান শিক্ষক বিদ্যালয়ের পাঠদান পরিচালনা, তত্ত্বাবধান ও সমন্বয় সঠিকভাবে করতে পারছেন না। তাই প্রধান শিক্ষককে পাঠদানে আরও মনোনিবেশ করাতে এ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

সারা দেশে বর্তমানে ৬৫ হাজার ৯৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে পুরনো সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সংখ্যা ৩৭ হাজার ৬৭২টি, বিদ্যালয়বিহীন গ্রামে ১ হাজার ২০৭, নতুন জাতীয়করণ করা ২৬ হাজার ১৫৯ ও পরীক্ষণ বিদ্যালয় ৬১টি। প্রতিটি বিদ্যালয়ে একজন করে হিসাবরক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।

কবে নাগাদ এই নিয়োগ দেওয়া হতে পারে এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তর জানায়, পদ সৃজন, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনসহ অন্যান্য প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে বেশ সময় লাগবে। মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে চলতি অর্থবছরে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দেওয়ার চেষ্টা করা হবে বলে জানান কর্মকর্তারা।