প্রেমিকের কথায় স্বামী-সন্তান ছেড়ে অতি লো’ভে তাতি ন’ষ্ট প্রবাসীর স্ত্রী

শরীয়তপুর সদর উপজেলায় বিয়ের দাবিতে এক ইতালি প্রবাসী যুবকের বাড়িতে অ’ন’শন করছেন এক না’রী। শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ওই না’রী বাড়ি’র সামনে বসে অ’ন’শ’ন করছিলেন।

অ’ভি’যু’ক্ত ওই প্রবা’সী যুব’কের নাম নুরুল হক ব্যা’পারী (২৭)। তার বাড়ি সদর উপজেলার আংগা’রিয়া ইউনিয়নের দাঁ’তপুর উত্তর ভাষানচর গ্রামে। এর আগেও ওই না’রী তিনবার নুরুল হকের বাড়িতে আসেন।

নুরুল হকের পরিবার সূত্র জানায়, নুরুল হক ২০১০ সালে কাজের সন্ধানে জ’র্ডান যান। পরে সেখান থেকে লিবিয়া যান। লিবিয়া থেকে ২০২০ সালের জুন মাসে ই’তালি পাড়ি জমান। ওই না’রীর স’ঙ্গে কথা বলে জানা যায়, নড়িয়া পৌরসভার শালাল বাজার এলাকায় নুরুল হকের বোন সাবিনার শ’শুরবাড়ি।

একই এলাকায় ভা’ড়া থাকেন ওই না’রী। সেই সু’বাদে ওই না’রীর স’ঙ্গে স’ম্পর্ক গড়ে ওঠে সাবিনার। ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বর মাসে নুরুল হক লিবিয়া থাকাকালীন অবস্থায় ওই না’রীর মুঠোফোনের ই’মোতে ভিডিওকলে নুরুল হকের সঙ্গে কথা বলতেন বোন সাবিনা।

তখন নুরুল হকের স’ঙ্গে ওই না’রীর মাঝেমধ্যে ক’থোপক’থন হতো। কথা বলতে বলতে তাদের মধ্যে প্রথমে বন্ধুত্ব, পরে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। ওই না’রী বলেন, ২০১৯ সালে ১৭ জুলাই নড়িয়া বিঝারি কান্দাপাড়া গ্রামে আমার একটি বিয়ে হয়। স্বামী গ্রীসে থাকেন। আমাদের নয় বছরের একটি ছেলে আছে। স্বা’মীকে তা’ক দি’লে নুরুল হক আমাকে বি”য়ে করবে বলে আশ্বাস দেয়। তাই আমি স্বামীকে তা’লা’ক দিয়েছি। হঠাৎ একদিন আমাকে ফোনে বিয়ের কথা বলে নুরুল হক। আর তার গ্রামের ঠিকানা দেয়। আমি তাদের বাড়িতে যাই, পরিবারের সকলের সঙ্গে আমার পরিচয়ও হয়।

আমাকে ফোনে বিয়ে করবে বলে জন্মনিবন্ধন, দুই কপি ছবি ও পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে তার ভাই আমিনুল হক ব্যাপারীর কাছে যেতে বলেন। আমি সদরের আংগারিয়া বাজার গিয়ে আমিনুলের দোকানে এগুলো দিয়ে, নুরুল হকের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলে একটি ফর্মে স্বাক্ষর দিই। কিছুদিন পর নুরুল হকের কাছে কা’বিন না’মা চাইলে তিন মাস পরে পাব বলে জানায়।

এছাড়া জমি কিনবে বলে নুরুল আমার কাছ থেকে ৬ লাখ টকা চায়। আমি দুই দফায় ৩ লাখ ৭৫ হাজার টাকা দিই। টাকাটা আমিনুলের দোকা’নে গিয়ে দিয়ে আসি। আবারও কাবিন’নামা চাইলে এখন নুরুল হকসহ তার পরিবার বলছে, আমাকে তারা চেনে না।

ইতালি থেকে নুরুল হকও সমস্ত যোগাযোগ বন্ধ করে দিয়েছে। আমি বাধ্য হয়েই আমার অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য ওর বাড়িতে গিয়ে উঠেছি। তিনি বলেন, এর আগে গত ১৮ ফেব্রুয়ারি আমি নুরুল হকের বাড়িতে আসি। তখন তার ভাই আমিনুল, বোন তানজিলাসহ বেশ কয়েকজন আমাকে মা’রধ’র করে। আমি শরীয়তপুর সদর হা’সপা”তালে ভর্তি হই।

পরে সদরের পালং মডেল থাকায় একটি অ’ভি’যো’গ করি। তবে নুরুল হকের বোন তানজিলা বলেন, আমার ভাইয়ের সঙ্গে মুঠোফোনে কথা বলতো ওই না’রী। ভাইকে বলেছে তার বি’য়ে হয়নি।

এখন জানতে পারি তার বিয়ে হয়েছে। একটি ছেলেও আছে। ওই না’রী আমার ভাইয়ের সঙ্গে প্র’তা’র’ণা করেছে। এখন আমাদের বাড়িতে এসেছে। আংগারিয়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন হাওলাদার বলেন, এ ব্যাপারে আমাকে কেউ কিছু জানায়নি। কেউ অ’ভিযো’গ করলে, গ্রাম আ’দাল’তের মাধ্যমে বিষয়টি সমা’ধা’নের চে’ষ্টা করা যেত।

শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থা’না’র ভারপ্রাপ্ত কর্ম’র্তা (ও’সি) মো. আসলাম উদ্দিন বলেন, অনশনের বিষয়ে আমাকে কেউ জানায়নি। বিষয়টি খবর নিয়ে দেখছি। এর আগের অ’ভি’যো’গের ব্যাপা’রটি দেখে বলতে হবে।