জেলায় সকাল থেকে সূর্র্র্য্যরে দেখা নেই। ঘন কুয়াসার চাদরে ঢাঁকা জয়পুরহাট জেলায় কনকনে শীতে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে জনজীবন। ছিন্নমূল অসহায় মানুষের জন্য প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ১৭ হাজার ৪ শ কম্বল ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয় থেকে ৩৬ লাখ ১০ হাজার ২৯৫ টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে।
অসহায় ছিন্নমূল মানুষদের ভির লক্ষ্য করা গেছে রেলওয়ে হকার্স মার্কেটের কমদামী গরম কাপড়ের দোকান গুলোতে। রোববার জেলার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অতিরিক্ত ঠান্ডার কারনে জমিতে থাকা আলুতে লেটব্রাইট রোগ দেখা দিতে পারে। এ জন্য ছত্রাকনাশক ছিটানোর পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বোরো বীজ তলা পলিথিনে ঢেকে রাখা, রাতে পানি দিয়ে সকালে বের করে দেওয়ার জন্য কৃষকদের ছাই ছিটিয়ে দেওয়ার পরামর্শ প্রদান করা হয়েছে বলে জানান, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ পরিচালক কৃষিবিদ মো: শফিকুল ইসলাম।
অপরদিকে, জেলার উপর দিয়ে বয়ে চলা শৈত প্রবাহের পাশাপাশি ঘন কুয়াসার কারনে যবুথবু হয়ে পড়েছে স্বাবাভিক জীবনযাত্রা। ছিন্নমূল মানুষেরা ভিড় করছে কমদামি গরম কাপড়ের দোকানে। রেললাইন ঘেঁসে গড়ে ওঠা হকার্স মার্কেটে বেশ ভিড় লক্ষ্য করা যায়। গ্রামে অনেকটা আগুন জ্বালিয়ে শীত নিবারন করছেন দরিদ্র মানুষেরা। কনকনে ঠান্ডায় বৃদ্ধ এবং শিশুরা বেশি দূর্ভোগে পড়েছেন। জেলা আধুনিক হাসপাতালে ডায়রিয়া রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। জেলার অসহায় ছিন্নমূল মানুষদের জন্য প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে ১৭ হাজার ৪শ কম্বল প্রদান করা হয়েছে এবং ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রনালয় থেকে শীতবস্ত্র কেনার জন্য ৩৬ লাখ ১০ হাজার ২৯৫ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানান, জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা আব্দুল করিম। জেলার পাঁচ উপজেলা ও পাঁচ পৌরসভাকে ওই টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।
