পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যান ডা. মুরাদ!

স্ত্রীর ওপর নির্যাতনের অভিযোগ পেয়ে ডা. মুরাদ হাসানের ধানমন্ডির বাসায় গিয়ে তাকে পায়নি পুলিশ। জানা যায়, মারধর ও হত্যার হুমকির অভিযোগ এনে ডা. মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন তার স্ত্রী ডা. জাহানারা এহসান। বৃহস্পতিবার (৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে ধানমন্ডি থানায় সাধারণ ডায়েরিটি করেন তিনি।

এর আগে ৯৯৯ এ ফোন করে পুলিশের সহযোগিতা চেয়েছেন ডা. জাহানারা এহসান। তাকে মারধর করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। ৯৯৯ থেকে বিষয়টি জানানো হয় ধানমন্ডি থানা পুলিশকে। এরপরই পুলিশের একটি টিম মুরাদের বাসায় যায়। বাসায় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে ডা. মুরাদ বাসা থেকে বের হয়ে যান বলে জিডিতে উল্লেখ করেছেন তার স্ত্রী।

ধানমন্ডি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ইকরাম আলী মিয়া বলেন, ‘বেলা ৩টার দিকে ৯৯৯-এ ফোন করে ওই অভিযোগ করেন জাহানারা। এরপরই পুলিশের একটি টিম মুরাদের বাসায় যায়। ধারণা করা হচ্ছে পারিবারিক কলহ থেকেই অভিযোগ করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, আমরা ডা. জাহানারাকে কান্নাকাটি করতে দেখি। ডা. জাহানারা ৯৯৯ নম্বরে ফোন করার সময় মুরাদ হাসান বাসায় ছিলেন বলে জেনেছি। পরে তিনি বেরিয়ে যান। তাদের দুই সন্তানও তাদের মায়ের ওপর নির্যাতনের কথা জানিয়েছে।

তিনি আরও ​বলেন, ‘এই জিডি তদন্তের জন্য আদালতের অনুমতি চাওয়া হবে।’ ডা. মুরাদকে গ্রেপ্তার করা হবে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, এ ব্যাপারে পরবর্তী প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হবে। পুলিশ জানায়, কানাডায় ঢুকতে ব্যর্থ হওয়ার পর এতদিন মুরাদ হাসান তার ধানমন্ডির বাসায় আসেননি। গত ৮-৯ দিন ধরে তিনি এই বাসায় আছেন। এর মধ্যেই তিনি তার স্ত্রীর ওপর নির্যাতন চালান ও হত্যার হুমকি দেন। উল্লেখ্য, এই ডাক্তার দম্পতি ১৯ বছর ধরে একত্রে আছেন। তাদের সংসারে দুই সন্তান। মেয়ে রামিসা ফারিহা রাজকন্যা (১৬) এবং ছেলে হাসান আবরার মাহির যুবরাজ (১১)।