পরীমনি প্রসঙ্গে এতো দিনে মুখ খুললেন আলমগীর

২৮ জানুয়ারি চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এ নির্বাচনকে ঘিরে বর্তমানে বিএফডিসিতে শিল্পীসহ বহু মানুষের আনাগোনা বেড়েছে। দুটি প্যানেলে এবার নির্বাচনে লড়ছে মিশা-জায়েদ প্যানেল ও ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেল। নির্বাচনকে ঘিরে চলছে তারকাদের প্রচারণা। প্রচারণার মধ্যেই আলোচনায় এসেছে আলোচিত চিত্রনায়িকা পরীমণির নাম। ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেল থেকে মঙ্গলবার ২৫ জানুয়ারি সব প্রার্থীদের সঙ্গে পরিচিতি সভার ঘোষাণা দেওয়া হয়েছিল। দুপুর ৩টা পর শুরু হয় এই সভা।

এই সভায় প্যানেলের পক্ষে সব সদস্যই উপস্থিত ছিলেন। ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেলের পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় বক্তব্য দেন চিত্রনায়ক আলমগীর। সেখানে তিনি দাবী করেন, গতবারের শিল্পী সমিতির প্যানেলের সদ্যসরা পরিমণির ওপর অন্যায় করেছে। তার বক্তব্যে বলেন, ‘১৮৪ জন সদস্যকে নাকি আমরা বাদ দিয়েছি! কিন্তু উপদেষ্টা পরিষদের কাউকে কি বাদ দেওয়ার অধিকার আছে? এটা হলো কার্যনির্বাহী পরিষদের কাজ।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা যখন ইন্টারভিউ নিই তখন একটি হাজিরা কাগজ হয়। সেখানে আমরা সই দিয়েছি। এখন সেই সইটাকে তারা টেম্পারিং করে বলছে- তাদের সই রেখেই আমরা বাদ দিয়েছি। মিথ্যার একটা সীমা থাকা দরকার।’ তবে এবারের এই নির্বাচনে পরীমণি কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেল থেকে প্রার্থী হলেও শেষ মুহূর্তে তিনি নির্বাচন থেকে নাম প্রত্যাহার করে নেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণ সে সময় জানিয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। গত বছর পরীমণির মাদক কাণ্ডে তার পাশে না থেকে উল্টো তার সদস্য পদ স্থগিত করে দিয়েছিল সাবেক প্যানেল। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পরীমণি আমাদের ছোট বোন। আপনারা সবাই জানেন তার কিছুদিন আগে একটা প্রবলেম হয়েছিল। নানান ভোগান্তির মধ্যে তাকে পড়তে হয়। এরমধ্যে একটা ভোগান্তি ছিল কোর্টের বিচারের আগেই তড়িঘড়ি করে তার সদস্য পদ স্থগিত করে দেওয়া। বিচার তো তখনও শেষ হয়নি তাহলে কি করে শিল্পী সমিতি পরীমণির সদস্য পদ স্থগিত করল? সেখানে বলা হয়েছিল, আমিও মতামত দিয়েছি যাতে পরীর সদস্য পদ স্থগিত করে দেওয়া হয়। অথচ তখন আমার কোনো মন্তব্যই তারা গ্রহণ করেননি। বরং যেটা বলেছি তার উল্টোটা করেছে।’