১৯৯৭ সালে ওমর সানীর বিপরীতে ‘কুলি’ ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে প্রবেশ করেন সাদিকা পারভীন পপি। অভিনয় করেছেন প্রায় শতাধিক ছবিতে। যেগুলোর বেশিরভাগই হিট। অভিনয় দক্ষতা দেখিয়ে তিন বার জিতে নিয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। দুই বার পেয়েছেন বাচসাস পুরস্কারও।
বিংশ শতাব্দীর শুরুর দিকে নায়ক শাকিল খানের সঙ্গে পপির জুটি বেশ দর্শকনন্দিত ছিল। একসঙ্গে বেশ কিছু হিট ছবি উপহার দিয়েছেন তারা। কিন্তু হঠাৎই অভিনয় থেকে দূরে চলে যান শাকিল খান। পরে রিয়াজ, শাকিব খানের সঙ্গে জুটি বেঁধেও মোটামুটি সাফল্য পান তিনি।
কিন্তু সেটি বেশিদিন ধরে রাখতে পারেননি। শাকিল খানের মতো মাঝখানে হারিয়ে যান পপিও। দীর্ঘদিন আড়ালে থাকার পর সম্প্রতি আবারও সরব হয়েছেন মিডিয়া পাড়ায়। তবে আগের গ্ল্যামার আর ফিগার থাকলেও চলচ্চিত্রে এখন আর নিয়মিত নন এ অভিনেত্রী।
তবে এ বয়সে এসেও পপির এমন রুপে মুগ্ধ পরিচালক সাদেক সিদ্দিকী। তার ভাষ্য, পপিকে দেখলেই ভালোবাসতে ইচ্ছে করে। আমি রীতিমতো এ অভিনেত্রীর প্রেমে পড়ে গেছি।
এদিকে, সাদেক সিদ্দিকীর নতুন সিনেমা ‘সাহসী যোদ্ধা’র অন্যতম প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন পপি। সিনেমাটির শুটিং পর্ব অনেক দূর এগিয়েছে।
তিনি বলেন, পপির সঙ্গে আমার সম্পর্ক দেড় যুগের। এখনো তিনি আগের মতোই সুন্দরী ও আকর্ষণীয় আছেন। অভিনয়ও করেন দুর্দান্ত। কাজের প্রতি তার মনোযোগ আমাকে মুগ্ধ করে বারবার।
সবচেয়ে বড় কথা, ওর মত ফিগার সচেতন নায়িকা আমি দেখিনি। খুব সুন্দরভাবে নিজের শরীরটাকে তিনি ধরে রেখেছেন। তাই অন্যদের থেকে পুরোপুরি আলাদা মনে হয় পপিকে।
