নাতাশার পাশে বিপাশা

বিপাশা হায়াত যখন অভিনয় শুরু করেন, তখন তার পোশাক ডিজাইন করতেন নাতাশা। ২০০৮ সালে বিপাশার সঙ্গে পার্টনারশিপে ফ্যাশন হাউজ ‘আইরিসেস ডিজাইনার স্টুডিও’র যাত্রা শুরু করেন তিনি। কিন্তু পরপর দুই সন্তান শ্রীষা ও সাবীদের জন্ম হওয়ায় চার বছরের বিরতি টানতে হয় এই ব্যবসায়। ২০১৩ সালে রোকসানা আক্তার লোপার সহযোগিতায় ফের নাতাশা রাজধানীর গ্রীণরোডে একই প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু করেন। মাঝে বনানীর এফ ব্লকের ১২ নম্বর রোডে ‘আইরিসেস ডিজাইনার স্টুডিও’র দ্বিতীয় শাখা চালু হয়। প্রতিষ্ঠানটির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করছেন বিপাশা হায়াত। তিনি বলেন, ‘মানুষের মধ্যে কোনো না কোনোভাবে শিল্পীসত্ত্বা থাকে, হোক তিনি ব্যাংকার, ইঞ্জিনিয়ার, ডাক্তার বা অন্য কোনো পেশার। নাতাশা পড়াশুনা করেছে মার্কেটিং ম্যানেজম্যান্টে কিন্তু ফ্যাশনেই বরাবর তার আগ্রহ ছিলো। টুকটাক অভিনয় করলেও যখন অভিনয় থেকে পুরোপুরি ফ্যাশন হাউজের সাথে নিজেকে সম্পৃক্ত করেছে, তখন সে শান্তি খুঁজে পেয়েছে। আমি মনে করি, মানুষ তার নিজের আনন্দের জন্য যখন কাজ করে তখন তা সততার সঙ্গেই করে। যে কারণে তার স্টুডিও থেকে ভালো এবং মানসম্পন্ন কাপড় তৈরী হচ্ছে, ক্রেতারাও আগ্রহী হচ্ছেন।’ নাতাশা হায়াত বলেন, ‘আমার বাবার আগ্রহেই আমি কিছুদিন অভিনয় করেছি। কিন্তু অভিনয়ে আমার মন টানেনি। যেহেতু আমার দুই সন্তান রয়েছে, তাই আমি এমন একটি কাজ করতে চেয়েছি যা করতে গিয়ে আমি যেন সন্তানদেরও যথেষ্ট সময় দিতে পারি। এখন আমার ফ্যাশন হাউজ যে অবস্থানে এসেছে তাতে সন্তুষ্ট আমি। আমি আমার বাবা মা, বড় আপু, শাহেদ এবং লোপার প্রতি কৃতজ্ঞ।’ উল্লেখ্য, নাতাশা হায়াত নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি থেকে বিবিএ এবং ল-নের একটি ইউনিভার্সিটি থেকে মার্কেটিং ম্যানেজম্যান্টে মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। ছোটবেলায় বাবা আবুল হায়াতের নির্দেশনায় মঞ্চ নাটক বিসর্জন’-এ প্রথম অভিনয় করেন নাতাশা। টিভিতে তার অভিনীত প্রথম নাটক ‘বন্দী।