নাটকীয় জয়ে নেপালের ইতিহাস

জয়ের জন্য শেষ ৬ বলে নেপালের দরকার ছিল এক উইকেট। আর নেদারল্যান্ডসের দরকার ৬ রানের। তবে, ওয়ানডে স্ট্যাটাস পাওয়া নবীনতম দলটির বিপক্ষে শেষ ৫ বলে চার রানের বেশি নিতে পারেনি নেদারল্যান্ডস। ফলে শেষ বলে এক করলে ড্র এবং দুই করলে জয়। ব্যাটিংয়ে তখন নেপালের ইনিংসের মেরুদণ্ড ভেঙে ৩ উইকেট নেওয়া ক্লাজেন। তবে এবার ব্যর্থ তিনি। অধিনায়ক পরশ খাড়কার শেষ বলে সোজা শট নেন ক্লাজেন। সেটা লাগে স্টাম্পে। রান নিতে গিয়ে আউট ক্লাজেন। নেপালের জয় এক রানের। আর এর মধ্য দিয়ে আইসিসি কতৃক ওয়ানডে স্ট্যাটাস পাওয়ার পর নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচেই জয় পেয়েছে এশিয়ার দেশটি। এছাড়া দুই ম্যাচ সিরিজে ১-১ ব্যবধান নিয়েই শেষ করলো নেপাল।

এর আগে, আমসটেলভিনে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করে ৪৮.৫ ওভারে ২১৬ রানে অলআউট হয় নেপাল। দলের হয়ে সর্বোচ্চ ৬১ রান করেন লোয়ারঅর্ডার ব্যাটসম্যান সোমপাল কামি। এছাড়া ৫১ রানে আসে অধিনায়ক খাড়কার ব্যাট থেকে। বাকিদের মধ্যে আরও ৪ জন দুই অংক পেরোলেও ২০ রানের কোটা পূরণ করতে পারেননি কেউ। ডাচদের হয়ে সর্বোচ্চ ৩টি উইকেট তুলে নেন ফ্রেড ক্লাজেন।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে নেপাল বোলারদের তোপে মুখের পড়ে নেদারল্যান্ডস। ব্যাটিংয়ের পর বল হাতেও দুর্দান্ত শুরু করেন কামি। ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই স্কোরবোর্ডে কোনো রান যোগ হওয়ার আগেই ডাচ ওপেনার মাইবার্গকে সাজঘরে পাঠান তিনি। ব্রাক ও বারেসি লড়াই করলেও শেষ বলে অলআউট হওয়ার আগে ২১৫ রানে বেশি করতে পারেনি স্বাগতিকরা। সর্বোচ্চ ৭১ রান করেন ওয়েসলি বারেসি। নেপাল বোলারদের মধ্যে ৩ উইকেট পান এরইমধ্যে তারকা খ্যাতি পাওয়া স্পিনার সন্দিপ লামিচান