চলতি বছরের অক্টোবর মাসে ভারতে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া টি-২০ বিশ্বকাপের জন্য নতুন তারকা খুঁজে পেলো বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। জাতীয় দলের জার্সি গায়ে জড়ানোর পরই নিজের প্রতিভার সাক্ষর রাখা শুরু করেছেন এই ক্রিকেটার। ঘরের মাঠে টি-২০ ফরম্যাটের বঙ্গবন্ধু টি-২০ কাপ টুর্নামেন্টে মিনিস্টার গ্রুপ রাজশাহীর হয়ে মাঠে নেমেছিলেন শেখ মাহাদি হাসান।
তরুণ এই অলরাউন্ডার বয়সভিত্তিক ক্রিকেট মাতানোর পর অবশেষে অভিষেক হয়েছে দেশের জার্সিতে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথম ম্যাচেই অভিষেক হয় তার।
মাহাদি হাসান নিজের অভিষেক ম্যাচটা জয় দিয়ে শুরু করতে পারেননি। কিউইদের বিপক্ষে গোটা দলই যখন আত্মসমর্পন করে তখন তার একার পক্ষে হয়তো বেশিকিছু করার থাকে না।
প্রথম ম্যাচে ৮ নম্বরে ব্যাটিং করতে নামা মাহাদি দলকে চাপমুক্ত করতে নেমেই হাঁকিয়েছিলেন ছক্কা। এমন ভয়ডরহীন ব্যাটিং করার পর তিনি প্রথম ম্যাচে থেমেছিলেন অবশ্য ২০ বলে ১৪ রান করে।
দ্বিতীয় ম্যাচে ব্যাট হাতে সুবিধা করতে না পারলেও বল হাতে শুরুটা দুর্দান্ত করেছিলেন তিনি। প্রথম দিকেই কিউইদের ব্যাটিং অর্ডারের হেনরি নিকোলস ও উইল ইয়ংকে সাজঘরে পাঠিয়ে দলকে ভালো শুরু এনে দিয়েছিলেন।
১০ ওভারের মধ্যে একটি মেইডেন নেয়া সহ তিনি খরচ করেছেন ৪২ রান। ৪.২০ ইকোনোমিতে বোলিং করে ২ উইকেট নেয়া মাহাদি হাসানকে নিয়ে প্রথম ম্যাচে প্রশংসা করেছিলেন অধিনায়ক তামিম ইকবাল।
দলে একজন বাড়তি অলরাউন্ডার হিসেবে মাহাদিকে পাওয়া বাড়তি কিছুই মনে করেন তামিম এদিকে বাংলাদেশ দলের একজন ফিনশারের অভাব রয়েছে বেশ কিছুদিন ধরেই।
কখনও সৌম্য আবার কখনও অন্য কাউকে এই অবস্থানের জন্য টিম ম্যানেজমেন্ট বেছে নিলেও শেষ পর্যন্ত স্থায়ী হতে পারছেন না কেউই।
তাই আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপের কথা মাথায় রেখে যদি তরুণ অলরাউন্ডার মাহাদি হাসানকে ফিনিশার হিসেবে পরিচর্চা করা হয় তাহলে তার কাছ থেকে ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি বোলিংয়ের সার্ভিসটাও পেতে পারে দল।
